শিলিগুড়িতে বিধ্বংসী আগুনের গ্রাসে একের পর এক বাড়ি, গুরুতর আহত শিশু সহ তিন
ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল শিলিগুড়িতে। আজ শনিবার সন্ধ্যায় আচমকাই শিলিগুড়ির ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাগরাকোট বাসস্ট্যাড সংলগ্ন রানাবস্তি এলাকায় আগুন লাগে। স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে দমকলে খবর দেয়। পাশাপা
ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল শিলিগুড়িতে। আজ শনিবার সন্ধ্যায় আচমকাই শিলিগুড়ির ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাগরাকোট বাসস্ট্যাড সংলগ্ন রানাবস্তি এলাকায় আগুন লাগে। স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে দমকলে খবর দেয়। পাশাপাশি স্থানীয়রা প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়৷

তবে ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। এদিকে একের পর এক সিলিন্ডার বাস্ট করায় আগুন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করতে থাকে একের পর এক বাড়ি। প্রাণ বাঁচানোর পাশাপাশি ঘরের আসবাব পত্র বাঁচাতে হাতের সামনে যা পায় তা নিয়েই ছোটাছুটি করতে থাকে সকলে।
সর্বস্ব হারিয়ে হাহাকার করতে থাকে স্থানীয়রা। এদিকে আগুনের তীব্রতার কারণে এক এক করে আটটি দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়৷ ঘটনাস্থলে পৌঁছান শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার অখিলেশ কুমার চতুর্বেদী সহ উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা। ওয়ার্ড কাউন্সিলর তথা ৩ নম্বর বোরো চেয়ারম্যান মিলি সিনহাও ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন।
পুলিশ কমিশনারের সামনে কান্নায় ভেঙে পরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার। দীর্ঘ কয়েকঘন্টার প্রচেষ্ঠায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল কর্মীরা। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজে সহযোগিতা করে পুলিশ প্রশাসন সহ স্থানীয়রাও। জানা গিয়েছে এই ঘটনায় এক শিশু, একজন দমকল কর্মী সহ তিনজনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে।
এদিকে শহরে এসেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার। তিনিও ঘটনাস্থলে ছুটে এসে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। পুলিশ কমিশনার জানান, বর্তামনে আগুন সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রণে। এই ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছে। তবে আগিন লাগার সঠিক কারণ এখনও জানা যায় নি। স্থানীয়দের অনুমান প্রথমে শর্ট সার্কিটের ফলে একটি বাড়িতে আগুন লাগে সেই আগুনে সিলিন্ডার বাস্ট করার ফলে আগুনের এতটা ভয়াবহ আকার ধারন করে।
কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এই ঘটনায় শাসক দলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন। এদিকে বাড়িঘর পুড়ে যাওয়ার সর্বস্ব খুইয়ে বহু মানুষের ঠাঁই এখন রাস্তায়। আতঙ্কের পরিবেশের পাশাপাশি এলাকা থমথমে।












Click it and Unblock the Notifications