অপসারিত কোচবিহার প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান, কারণ নিয়ে জল্পনা
অপসারিত কোচবিহার (Coochbihar) জেলা প্রাথমিক (Primary) বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান হিতেন বর্মন (Hiten Barman)। যে সময় প্রাথমিকে নিয়োগের দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক মামলার তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই, সেই সময়ে এই অপসারণ
অপসারিত কোচবিহার (Coochbihar) জেলা প্রাথমিক (Primary) বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান হিতেন বর্মন (Hiten Barman)। যে সময় প্রাথমিকে নিয়োগের দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক মামলার তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই, সেই সময়ে এই অপসারণ যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ। এই অপসারণের কারণ নিয়ে নানা মুনির নানা মত।

পদে একবছরও হয়নি
হিতেন বর্মন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের প্রাক্তন বনমন্ত্রী। তাঁকে গতবছর অগাস্টে এই পদে বসানো হয়। সেক্ষেত্রে প্রাথমিক (Primary) বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান পদে হিতেন বর্মনের একবছরও পূর্ণ হয়নি।

কাজ দেখবেন জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক
এদিন হিতেন বর্মনকে অপসারণের পরে তাঁর জায়গায় জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আগে কোচবিহার জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান ছিলেন কল্যাণী পোদ্দার।তিনি প্রায় ১০ বছর ওই পদে ছিলেন।

ঠিক কী কারণে অপসারণ?
হিতেন বর্মনকে ঠিক কী কারণে প্রাথমিক (Primary) বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করা হল, তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকে নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্টে।
সেই সংক্রান্ত কোনও বিষয়ে কি হিতেন বর্মনের নাম এসেছে নাকি পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা এখনও সামনে আসেনি।
জানা গিয়েছে, সম্প্রতি কোচবিহার জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির সংস্কারের জন্য প্রায় ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে রাজ্য সরকার। করোনা পরিস্থিতির কারণে বেহাল প্রাথমিক স্কুলগুলির হাল ফেরাতেই ওই ব্যবস্থা।
তবে এর পাশাপাসি জেলায় প্রাথমিক শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের পরিকল্পনা তিনি নিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

দলের সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নেবেন
এদিনের পদ থেকে অপসারণের পরে হিতেন বর্মন কোনও ক্ষোভপ্রকাশ করেননি। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, সরকার কিংবা দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা তিনি মাথা পেতে নেবেন। তিনি এখনও কোনও চিঠি পাননিবলেই জানিয়েছেন।
ফরওয়ার্ড ব্লকের ছাত্র সংগঠন দিয়ে রাজনীতি শুরু করেন হিতেন বর্মন। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি কোচবিহারে ফরওয়ার্ড ব্লকের সাংসদ ছিলেন। ২০১০-এ তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। ২০১১ থেকে ২০২১ পর্যন্ত তিনিকোচবিহারের শীতলকুচির বিধায়ক ছিলেন। ২০১১-১৩ সালে তিনি বনমন্ত্রীও হন।












Click it and Unblock the Notifications