Heat Wave effect Tea Farming: দহনে পুড়ে যাচ্ছে কচি পাতা, চা-য়ের কাপে টান পড়ার শঙ্কা
তীব্র দহনে জেরবার দশা রাজ্যবাসীর। জুন মাসের ৫ তারিখ হয়ে গেল এখনও গোটা দেশে বর্ষা প্রবেশ করেনি। উত্তরবঙ্গের শিিলগুড়ির তাপমাত্রা ছাপিয়ে যাচ্ছে কলকাতার তাপমাত্রাকে। এই গরমে জেরবার দশা। যেখান থেকে পাহাড় দেখা যায় সেখানেই গরমে হাঁসফাঁস করছেন সকলে। তাতে সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খেয়েছে চা-শিল্প।
উত্তরবঙ্গকে রাজ্যের চা বলয় বলা হয়ে থাকে। ডুয়ার্স থেকে শুরু হয় চা-বাগান। সেটা একেবারে দার্জিলিং পর্যন্ত রয়েেছ। পাহাড়ে ধাপে ধাপে চা-গাছের বাগান দেখতে পর্যটকরাও ভিড় করেন। কিন্তু এবার অত্যধিক গরমের জেরে চা-চাষে ব্যপক ক্ষতি হচ্ছে। রোদের তেজে শুকিয়ে যাচ্ছে চা-পাতা।

এর আগে জুন মাসে এতটা গরম কখনও পড়েনি। দার্জিলিং এমনকি সিকিমেও ফ্যান চালাতে হচ্ছে এমনই পরিস্থিতি সেখানে। শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ির তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে পৌঁছে যাচ্ছে। অন্যান্য সময়ে জুনের প্রথম থেকেই প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। যেটা চা-চাষের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এই সময় কচি পাতা বেরোতে শুরু করে। তাপমাত্রার এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে চা গাছে স্বাস্থ্যে তার ব্যাপক প্রভাব পড়েছে এছাড়া অতিরিক্ত তাপমাত্রার জন্য চা বাগানে পোকামাকড়ের ব্যাপক উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এতে চা উৎপাদনে প্রভাব পড়েছে বর্তমানে চা উৎপাদন কমছে বলে দাবি বাগান কতৃপক্ষের।
প্রচন্ড দাবদাহে সালোকসংশ্লেষ ক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে চা গাছগুলিতে।কমেছে উৎপাদনের মাত্রা।এভাবেই গরমের দাপট অব্যাহত থাকলে মুখ থুবড়ে পড়বে চা শিল্প বলে মত বিশেষজ্ঞদের।এই বিষয়ে টি আ্যসোসিয়েশন অফ ইণ্ডিয়া উত্তরবঙ্গের চেয়ারম্যান চিন্ময় ধর জানান এর পূর্বে এই এলাকায় এত তাপমাত্রা আমরা দেখি নাই । অধিক তাপমাত্রার জন্য উৎপাদন তলানিতে এসে ঠেকেছে ইতিমধ্যে ৩৮% চা উৎপাদন কমেছে এভাবে চলতে থাকলে ব্যাপক ক্ষতির সন্মুখীন হবে উত্তরের চা শিল্প। তিনি আরো জানান তীব্র দাবদাহের জন্য শ্রমিকদের চা বাগানে কাজ করতে খুবই সমস্যা হচ্ছে ।

চা বাগান কতৃপক্ষরা জানান 'এবছর এখনও পর্যন্ত তাপমাত্রার জন্য চা গাছের ও বাগানের অনেক ক্ষতি হয়েছে, তাপমাত্রা থেকে কীভাবে আমরা চা গাছকে বাঁচাবো সেটাই একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই বিষয়ে রাধারাণী চা বাগানের ম্যানেজার শুভেন্দু সেনগুপ্ত জানান উত্তরবঙ্গ জুড়ে ব্যাপক ক্ষতি চা বলয়ে যদি শীঘ্র এই আবহাওয়া পরিবর্তন না হয় এবং বৃষ্টি ষা হয় তাহলে চা গাছ মড়ে যেতে শুরু করবে। ইতিমধ্যে উৎপাদন কমে গিয়েছে। চা বাগানে পোকামাকড় উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়ে এই এক চিত্র ।












Click it and Unblock the Notifications