টাকার বিনিময়ে এবার অনুত্তীর্ণদের পাশ করানোর সিন্ডিকেট! প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
উচ্চ মাধ্যমিকের (higher secondary) ফল বেরনোর পরেই কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ রাস্তায় নেমে আন্দোলনে সামিল হয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। মুখ্যসচিব নির্দেশ দিয়েছেন, বিষয়টি ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে মিটিয়ে ফেলতে। সেই পরিস্থিতিতে এবার চাঞ্চল
উচ্চ মাধ্যমিকের (higher secondary) ফল বেরনোর পরেই কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ রাস্তায় নেমে আন্দোলনে সামিল হয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। মুখ্যসচিব নির্দেশ দিয়েছেন, বিষয়টি ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে মিটিয়ে ফেলতে। সেই পরিস্থিতিতে এবার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল এক প্রধান শিক্ষকের (head master) বিরুদ্ধে। অনুত্তীর্ণদের পাশ করাতে আবেদনপত্রের সঙ্গে ওই প্রধান শিক্ষক ৫০০ টাকা করে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরীক্ষা না দিয়েও কেন ফেল, তাই পাশ করানোর দাবিতে উত্তাল রাজ্য। কোনও কোনও জায়গায় ব্যাপক হারে স্কুলের সম্পত্তি নষ্টের ঘটনাও ঘটেছে। স্কুলে স্কুলে অখুশি ছাত্রছাত্রীদের থেকে আবেদনপত্র নেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। মূল অনুত্তীর্ণদের এই প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
সেই অনুত্তীর্ণদের নিশ্চিত করে পাশ করিয়ে দিতে আবদেনপত্রের সঙ্গে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে অভিযোগ উঠেছে কোচবিহারে। মেখলিগঞ্জ ব্লকের আলোতঝড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এই প্রক্রিয়ায় সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ।
ছাত্রছাত্রীদের একাংশের অভিযোগ প্রধান শিক্ষক সুবীর কুমার ঘোষ অনুত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা আদায়ের বদলে পাশ করিয়ে দেওয়ায় প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এর আগে অবশ্য ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিড-ডে মিলের চাল চুরির অভিযোগ উঠেছিল।
যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক সুবীর কুমার ঘোষ। তবে অনেকেই বলছেন, একা প্রধান শিক্ষকের পক্ষে টাকা নিয়ে পাশ করানো সম্ভব নয়। এর পিছনে অনেকেই জড়িয়ে। কার্যত এবার পরীক্ষায় পাশ করাতে সিন্ডিকেটও তৈরি হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন অভিভাবকরা।












Click it and Unblock the Notifications