গোর্খাল্যান্ড নিয়ে BJP ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে, কী বলছেন GTA প্রধান
গোর্খাল্যান্ড তৈরি করতে বিজেপির রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তির দরকার। এমনটাই মনে করে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নির্বাহী প্রধান অনিত থাপা। তিনি বলেছেন গোর্খাল্যান্ড ইস্যুটি সবারই জানা। এর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার, গোর্খা দল এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মধ্যে ত্রিপাক্ষিীক আলোচনার প্রয়োজন নেই বলেও মনে করেন তিনি।
ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা অর্থাৎ বিজিপিএমের সুপ্রিমো অমিত থাপা বলেছেন, তাঁদের আকাঙ্খা গোর্খাল্যান্ড। কিন্তু যারা এটাকে বাস্তবে রূপ চদিতে পারে, তাদের তেমন কোনও ইচ্ছা নেই। তিনি বলেছেন মন কিংবা হৃদয় থেকে গোর্খাল্যান্ডের আকাঙ্খাকে ক্ষুণ্ণ করা উচিত নয়।

তবে যতক্ষণ না পর্যন্ত গোর্খাল্যান্ড অর্জিত হয়, ততক্ষণ জায়গাটি আরও ভালও করে করতে হবে, যাতে সবাই শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে এবং জীবিকা নির্বাহের কার্যক্রম চালাতে পারে। অমিত থাপা আমার জমি, আমার অধিকার প্রচারাভিযানেরও সূচনা করেন। চাবাগানের বাসিন্দাদের কাছে পাট্টা বিতরণের জন্য চাপ দিতে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করা প্রয়োজন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার আগেই ঘোষণা করেছিল, তারা চাবাগানের বসবাসকারীদের ৫ ডেসিমেল পর্যন্ত জমির অধিকার দেবে। এক্ষেত্রে চাবাগানের বাসিন্দারা তাদের দখলে থাকা জমির অধিকার দাবি করে। বিরোধী দলগুলিও তাঁদের দাবিকে সমর্থন করে। পরে বিজিপিএম রাজ্য সরকারের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করে। তারপরে জিটিএতে পাট্টা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
অনিত থাপা বলেছেন, এই প্রচার বিজিপিএমকে শক্তিশালী করার জন্য নয়। চাবাগানে বসবাসকারী লোকেদের জমির অধিকার দেওয়ার জন্য। তিনি বিরোধীদের একই ইস্যুতে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, চা শ্রমিকদের গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে জমির অধিকারের বিষয়ে তাদের দাবিগুলি বুঝতে এবং রাজ্য সরকারের কাছে সেগুলি উত্থাপন করার জন্য আলোচনায় বয়তে তৈরি।
চাবাগান ও সিঙ্কোনা বাগানে বসবাসকারীদের জমি তাদের নামে নথিভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা দাসত্ব থেকে মুক্ত হবে না বলেই মনে করেন বিজিপিএম সুপ্রিমো অনিত থাপা। তাই চাবাগান মালিকদের প্রতি তাঁর আবেদন, যে চা থেকে অর্থ ও খ্যাতি অর্জন করেছেন, তাঁরা এই প্রক্রিয়াকে সমর্থন করুন। অন্যদিকে তিনি রাজ্য সরকারকে বলবেন, চাবাগান মালিকদের বাধা তৈরি করা উচিত নয়।












Click it and Unblock the Notifications