জিটিএ এলাকায় শিক্ষক নিয়োগের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার গুরুংয়ের
জিটিএ এলাকায় শিক্ষক নিয়োগের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার গুরুংয়ের
জিটিএ-র আওতাধীন এলাকায় শিক্ষক নিয়োগের দাবি তুলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠালেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা নেতা বিমল গুরুং। শীঘ্রই রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সেই ঘোষণার পর জিটিএ-র আওতাধীন এলাকায় শিক্ষক নিয়োগের দাবি তুললেন গুরুং।

প্রাথমিক ও উচ্চপ্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে মমতাকে চিঠি গুরুংয়ের
বিমল গুরুং তাঁর চিঠিতে, জিটিএ-র আওতাধীন এলাকায় প্রাথমিক ও উচ্চপ্রাথমিক এলাকায় জিটিএ-র আওতাধীন এলাকায় প্রাথমিক ও উচ্চপ্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপে বহু শিক্ষিত মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়াও স্বচ্ছ হবে বলে চিঠিতে জানান গুরুং।

জিটিএর আওতাধীন এলাকায় শেষ শিক্ষক নিয়োগ ২০১২ সালে
তিনি লেখেন, জিটিএর আওতাধীন এলাকায় শেষ শিক্ষক নিয়োগ হয়েছিল ২০১২ সালে। সেই নিয়োগ প্রক্রিয়ার ইন্টারভিউ হয়েছিল ২০০০২ সালে। শেষপর্যন্ত মাত্র ১২৩ জন শিক্ষক ২০১৮ সালে স্থায়ীভাবে নিয়োগ করা হয়। তিনি লেখেন, পাহাড়ে শুধুমাত্র প্রাথমিক শিক্ষকের শূন্যপদ ৬৫৩টি।

জিটিএ অধীনস্থ এলাকায় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে চিঠি
বিমল গুরুংয়ের কথায়, উচ্চ প্রাথমিকে এখনও শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি।তাই চিঠির শেষভাগে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষিত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জিটিও এলাকা সামিল করার দাবি জানিয়েছেন বিমল গুরুং। মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখেই তিনি বলেন, আশা করছি এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জিটিএ অধীনস্থ এলাকা সরকারি উদ্যোগ থেকে বঞ্চিত হবে না।

বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি আস্থাভাজন গুরুং
২০২১-এর ভোটের আগে বিমল গুরুং বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কেুই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেইসব পূরণ করেছেন। তাই আর এনডিএ-তে নয়, একুশে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জোট করে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

এ বছরই ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন পুজোর মধ্যে আপার প্রাইমারিতে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। প্রাইমারিতে নিয়োগ করা হবে সাড়ে ১০ হাজার শিক্ষক। পুজোর পর মার্চ মাসের মধ্যে প্রাইমারিতে আরও সাড়ে সাত হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। সেই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জিটিএ-র অন্তর্ভুক্তি চাইছেন গুরুং।












Click it and Unblock the Notifications