Amavasya: কৌশিকী অমাবস্যার রাতে খুলে যায় ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত গেট, মহাশ্মশানে হবে বলি
kaushiki Amavasya 2024: ভারত এবং বাংলাদেশের কাঁটাতার সীমান্ত পেরিয়ে মহাশ্মশানের পাশেই সাহেবগঞ্জ ছিন্নমস্তা মন্দির। আর সেখানেই রাতের অন্ধকারে নিয়ে যাওয়া হল ছিন্নমস্তা মা'কে। আজ দোসরা সেপ্টেম্বর সোমবার রাতে ধুমধাম করে পুজো হবে ভারত বাংলাদেশ সাহেবগঞ্জ সীমান্তে থাকা ওই মন্দিরে। একেবারে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এই পুজো হয়। বিশেষ ভাবে এই পুজো কিন্তু জাগ্রত।
প্রতিবছর কৌশিকী অমাবস্যায় দিনহাটা ২ নং ব্লকের সাহেবগঞ্জ কাঁটাতার সীমান্ত পেরিয়ে মহাশ্মশানের পাশে ছিন্নমস্তা পূজা আয়োজিত হয়। সাহেবগঞ্জ সৎকার সমিতি এই পুজোর দায়িত্বে। এই পুজোকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে জড়িয়ে আছে ধর্মীয় বিশ্বাস।

জানা যায়, ১৯৭৮ সালে ওই এলাকায় প্রচন্ড খরা দেখা দিয়েছিল। সেই খরা থেকে রক্ষা পেতে প্রথম ছিন্নমস্তা পূজা করতে বলেছিলেন এক তান্ত্রিক। পুজোর পরে প্রচন্ড বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এরপর থেকেই এই পুজোর প্রচলিত হয়। শুধু তাই নয়, পুজোয় যারা মানত করেন তাদের সকলের মনস্কামনা পূর্ণ হয়। পুজোর দিন সারারাত ধরে পুজো হয়। সন্ধ্যা থেকে পুজোর প্রস্তুতি চলে। গভীর রাতে বলি এবং ভোরবেলায় প্রসাদ বিতরণ হয়।
ভারত এবং বাংলাদেশ সীমান্তে পুজো হওয়ার কারণে প্রচুর বিএসএফ এবং সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ মোতায়েন থাকে। সারা রাত ধরে কাঁটাতারের সেই গেট খোলা থাকে। সেখান দিয়ে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে সঠিক ভারতীয় পরিচয় পত্র দেখিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন পুন্যার্থীরা। দিনহাটা কোচবিহার ছাড়াও পার্শ্ববর্তী জেলা আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি থেকে মানুষ পুজো দেখতে যান। এমনকি কলকাতা থেকেও বহু মানুষ এই পুজোয় যান।
পুজোকে ঘিরে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নিরাপত্তার মাঝে মহামিলন ক্ষেত্র তৈরি হয়। ইতিমধ্যেই সীমান্তে সুরক্ষা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশেষ করে বর্তমানে বাংলাদেশে রাজনৈতিক একটা অস্থিরতা চলছে। আক্রান্ত হচ্ছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। সুযোগ পেলেই ভারতে চলে আসার চেষ্টা করছে। এই অনবস্থায় বিশেষ নজর রাখছে বিএসএফ। আজ সোমবার সকাল থেকেই প্রচুর ভক্ত সমাগম শুরু হয়েছে। সারারাত ধরে চলবে পুজো। বিশ্বাস এবং আজ থাকে মান্যতা দিয়ে সীমান্ত পারে এই পুজোকে কেন্দ্র করেই সেজে উঠেছে সাহেবগঞ্জ।












Click it and Unblock the Notifications