নদী থেকে দূরত্ব মাত্র ২৫ মিটার, মালদহে গঙ্গা গিলে খাবে আস্ত স্কুল?
স্কুলের ঢিলছোঁড়া দূরত্বেই বইছে বিশালাকার গঙ্গা নদী৷ বর্ষায় নদী তার অন্য রূপ ধরেছে। শুরু হয়েছে নদী ভাঙন। জমি, গাছপালা খেয়ে এবার গঙ্গা এগিয়ে আসছে স্কুলের দিকে। জানলা দিয়ে চোখ গেলেই দেখা যাচ্ছে পাড়ে ক্রমাগত জল এসে আঘাত করছে৷
মালদহের মানিকচকের হুকুমত তোলা প্রাথমিক হাইস্কুল। এই স্কুলের প্রায় কাছ দিয়েই এখন বয়ে চলেছে গঙ্গা৷ নদীর ভাঙনে দিশেহারা এলাকার মানুষজন। যে কোনও দিন এই প্রাথমিক স্কুলও নদীর গর্ভে চলে যেতে পারে৷ এই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্কুল থেকে এখন মাত্র ২৬ মিটার দূরত্বে বইছে গঙ্গা। একের পর এক ভিটেমাটি, জমি জিরেত গিলে খাচ্ছে গঙ্গা। এবার নদী এগিয়ে আসছে স্কুলের দিকে। এবার কি এই স্কুলও নদী গর্ভে চলে যাবে? গোপালপুর অঞ্চলের এই একটি মাত্র প্রাইমারি স্কুল। হুকুমত তোলা প্রাইমারি স্কুলের উপরই এলাকার বাচ্চাদের পড়াশোনা নির্ভর করে।
মানিকচকের গোপালপুর অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে গঙ্গা ভাঙন অব্যাহত। বারবার আবেদন করা সত্ত্বেও ভাঙন রোধের স্থায়ী কোনও কাজ হয় না। স্থায়ীভাবে পাড় বাঁধানোর কাজও হয় না। এই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেই কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সরকারের।
এই মরসুমেও গঙ্গার ভাঙন শুরু হয়েছে। এবার গোপালপুর অঞ্চলের প্রাথমিক স্কুল বিপদের সামনে? পাড় ভাঙতে শুরু করেছে অনেক দিন আগেই। এখন স্কুলের থেকে মাত্র ২৫ মিটার দূরে বইছে গঙ্গা। নদীতে তলিয়ে যেতে পারে স্কুল। এমন আশঙ্কা করছে এলাকার মানুষ। রীতিমতো চিন্তিত ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবকরা।
স্কুলে পড়ুয়া সংখ্যাও কমছে। আগে দেড়শো জনের উপর পড়ুয়া যেত। এখন ভাঙনের ভয়ে অর্ধেক পড়ুয়াও স্কুলে যাচ্ছে না। স্কুলের শিক্ষকরা দাবি করছেন, ভাঙন রুখতে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অন্য কোনও জায়গায় নতুন করে স্কুলবাড়ি তৈরি করা হোক।












Click it and Unblock the Notifications