মন্ত্রী হওয়ার পরে আরও চাপে জন বার্লা, দুর্নীতির একের পর এক অভিযোগের 'সাঁড়াশি' তদন্তে জেলাপ্রশাসন
মন্ত্রী হওয়ার পরে আরও চাপে জন বার্লা, দুর্নীতির একের পর এক অভিযোগের 'সাঁড়াশি' তদন্তে জেলাপ্রশাসন
মোদী মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার আগে ও পরে জন বার্লা (john barla) সুর চড়িয়েছেন আলাদা রাজ্যের দাবিতে। যা নিয়ে তৃণমূলের (trinamool congress) তরফে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। তবে তার আগেই বিজেপির (bjp) এই সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল সরকারি জমি দখল করে বাড়ি তৈরিতে মদত দেওয়ার। এবার এই দুর্নীতির ( corruption) অভিযোগ তদন্ত (investigation) শুরু করেছে আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসন।

আলিপুরদুয়ার তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, সরকারি জমি দখল করে চামুর্চিতে বহুতল তৈরি করার পিছনে রয়েছেন জন বার্লা। এব্যাপারে জমির নথি এবং তৈরি বাড়ির নথি জেলা প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ঘাসফুল শিবিরের আরও অভিযোগ , সরকারি জমির প্লট ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
এদিকে এই অভিযোগ পাওয়ার পরে জেলা প্রশাসনের তরফে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরকে অভিযোগ সম্পর্কে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সেই সব জমির বর্তমান অবস্থা কী, তাও জানাতে বলা হয়েছে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, সরাসরি জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার না করে, আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জানিয়েছেন, সরকারি জমিতে যে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে, সেখানে কমিউনিটি সেন্টার তৈরি করা হবে। মহিলাদের ট্রেনিং দেওয়ার বন্দোবস্তও করা হবে সেখানে। তিনি পাল্টা তৃণমূলের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ এনেছেন। তাঁর দাবি তৃণমূলের পার্টি অফিস তৈরি হয়েছে সরকারি জমিতে।
প্রথমে আলাদা রাজ্যের দাবিতে বিতর্ক তৈরি পরে এবার সাংসদের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ ওঠার পরে গেরুয়া শিবিরে বিড়ম্বনা তৈরি হয়েছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।












Click it and Unblock the Notifications