সুকান্ত মজুমদারের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন শিলিগুড়ির ডেপুটি মেয়র? কী বললেন রঞ্জন সরকার?
কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে চলেছেন ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার। আজ শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমান বন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার। সেখানেই সরাসরি শিলিগুড়ি পুরনিগমের ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকারকে আক্রমণ করেছিলেন।
সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, রঞ্জন সরকারের দেড় হাজার কোটি টাকার সম্পতি রয়েছে। একজন ডেপুটি মেয়রের এত সম্পতি কোথা থেকে হল? শিলিগুড়ি পুরনিগম চালানোর টাকা থাকে না। সেখানে ডেপুটি মেয়রের এত সম্পত্তি এল কীভাবে? সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।

এই বক্তব্য ঘিরে শিলিগুড়ির রাজনীতিতে চাঞ্চল্য ছড়ায়৷ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের মধ্যেও অস্বস্তি ছড়ায়। বেলা গড়াতেই পালটা বক্তব্য রাখলেন ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার। বলেন, " তিনি একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর কাছে নিশ্চয়ই তথ্য ও প্রমাণ আমার সম্পত্তি নিয়ে রয়েছে। তথ্য প্রমাণ ছাড়া উনি বলছেন না৷ যদি থাকে, তবে তা প্রকাশ্যে নিয়ে আসুক।"
বিজেপির রাজ্য সভাপতির এমন বক্তব্যকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছেন শিলিগুড়ির ডেপুটি মেয়র। তিনি বলেন, " প্রমাণ না হলে সবার সামনে ক্ষমা চাইবেন। আমি ওনার বিরুদ্ধে ভারতীয় আইনে যা নিয়ম রয়েছে, সেই নিয়ম মেনে আইনি পথে চলে মামলা করব।"
রঞ্জন সরকার পাল্টা আক্রমণ করেছেন সুকান্ত মজুমদারকে। ডেপুটি মেয়র বলেন, " যে ভাবে উনি ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন, তাতে স্পষ্ট উনি অসুস্থ। অসুস্থ মন্ত্রী কীভাবে দেশের মানুষের কাজ করবেন? তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। অবিলম্বে ওনর চিকিৎসার প্রয়োজন।"
আজ শিলিগুড়ি পুরনিগম অভিযান করল শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা বিজেপি। পুরনিগমের অনেক আগেই বিজেপির মিছিল আটকে দেওয়া হয়। ব্যারিকেড ভেঙে পুরনিগমের গেটের সামনে বসে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির কর্মী - সমর্থকরা।
অবিলম্বে মেয়র শাসক দলের কাউন্সিলরদের সম্পত্তির তথ্য প্রকাশ করুক। পুরনিগমের অর্থ ভাণ্ডার খালি হচ্ছে। সম্পত্তি বৃদ্ধি হচ্ছে শাসক দলের কাউন্সিলরদের। এই অভিযোগ করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications