Darjeeling: ভোটের উষ্ণতার মাঝে প্রকৃতির হিমেল পরশ, হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ভিজল পাহাড়
তাপপ্রবাহ না হলেও গরম কিন্তু রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। আকাশে রোদের তেজ না থাকলেও গরম কিন্তু আছে। সেখানে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া একেবারে উল্টে গিয়েছে। বুধবার আকাশ কালো করে শৈলশহর দার্জিলিং সহ সিকিমের বেশ কিছু এলাকায় শুরু হয় শিলাবৃষ্টি।
এর ফলে পারদ নামল কিছুটা। যদিও শিলিগুড়ি সহ কালিম্পং ও আশেপাশের এলাকায় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। মৃদু হাওয়া বইছে সর্বত্র। এদিন শিলা বৃষ্টি হয় দার্জিলিং, ঘুম, জোরবাংলা সহ সিকিম ও সান্দাকফুতে। উল্লেখ্য বেশ কিছুদিন ধরে শিলিগুড়ি সহ পার্শবর্তী এলাকায় তীব্র দাবদাহ অনুভূত হয়। এদিন বিকেলে হালকা বৃষ্টি সহ মেঘাচ্ছন্ন আকাশ হওয়ায় কিছুটা মনোরম পরিবেশ ফিরে আসায় স্বস্তিতে শহরবাসী।

মার্চের শেষ থেকে যেন আগুনের ঝড় বইতে শুরু করেছিল দক্ষিণবঙ্গের প্রতিটি রাজ্যে। তাপপ্রবাহ শুরু হয়ে গিয়েছিল জেলায় জেলায়। এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছিল ৪০ ডিগ্রিতে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলা গুলিতে লু বইতে শুরু করেছিল। সকাল ১০টার পরে আর কেউ বাড়ির বাইরে বেরোতে চাইছিলেন না। এমনই কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গের জেলা গুলিতে।
তবে সেই অবস্থা ২ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়নি। হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিতে স্বস্তি নামে। এখন সেই তীব্র পরিস্থিতি না থাকলেএও গরম আছে। আকাশে মেঘের দেখাও মিলছে। কিন্তু ঝাঁপিয়ে বৃষ্টির দেখা নেই। কবে শেষ ঝাঁপিয়ে বৃষ্টি হয়েছিল কলকাতা শহরে বা দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সেটা ভুলে যেতে বসেছেন অনেকেই। বর্ষাতেও গতবার তেমন বর্ষণ হয়নি দক্ষিণবঙ্গে। বৃষ্টিতে ভালো মতো ঘাটতি তৈরি হয়েছিল।
যাইহোক আপাতত তেমন গ্রীষ্মের ধাক্কা না পেলেও দক্ষিণবঙ্গে একটা গরম তো রয়েইছে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে এখন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া অত্যন্ত মনোরকম। তবে কয়েকদিন আগে জলপাইগুড়িতে তাণ্ডব দেখিয়েছে কালবৈশাখী। ঝড়ের দাপটে পাঁচ জন মারা গিয়েছেন। আহত হয়েছেন অনেকেই। কালবৈশাখী না বলে সেটাকে টর্নেডো বলা হচ্ছে।
গরম থেকে বাঁচতে অনেকেই এখন পাহাড়ে পাড়ি দিয়েছেন। এই সময়ে হঠাৎ শিলাবৃষ্টি আর তার জেরে পারদ পতনে পর্যটকদের যে পোয়া বারো তাতে কোনও সন্দেহ নেই। আর ৮ দিন পরেই পাহাড়ে ভোট। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে ভোট। আবহাওয়া ঠান্ডা হলে ভোটকর্মীদের পক্ষেও সুবিধা হবে।












Click it and Unblock the Notifications