ইমিগ্রেশনের জন্য ভিড় সীমান্তে, মহদীপুর, হিলি থেকে পেট্রাপোলে কড়া পাহারা
বাংলাদেশের অস্থির পরিস্থিতিতে বন্ধ সীমান্ত। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগকারী সব সীমান্তই বন্ধ। হিলি, মহদীপুর, পেট্রাপোল, বেনাপোল সহ রাজ্যের সব সীমান্তেই কড়া নজরদারি। এছাড়াও বন্ধ রয়েছে দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থা।
কড়া নজরদারি চলছে মালদহের ভারত - বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায়। মহদীপুর স্থল বন্দরে আমদানি - রফতানি বাণিজ্যে জোর ধাক্কা লেগেছে। সোমবার দুপুরের পর থেকে এখনও পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে বন্ধ রয়েছে পণ্যবাহী লরি চলাচল। তবে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট চালু রয়েছে।

যদিও মানুষজনের আনাগোনা কিছুটা কম রয়েছে। বেশ কিছু ভারতীয় লরি চালক বর্তমানে বাংলাদেশে আটকে রয়েছেন বলে খবর। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে চলছে তোড়জোর।
বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল ও বিডিআর ভারতের হিলি সীমান্তে এসেছিলেন। তারা অনুরোধ জানান, বৈধ যাতায়াত এবং বাণিজ্য শুরু করার। যদিও এখনও ওপারে আটকে রয়েছে বহু ট্রাক ও লরি। সেগুলি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে৷
পুলিশ ও বিএসএফ - এর কড়া নজরদারি চলছে। হিলি সীমান্তে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কাজ হয়। বাংলাদেশে কার্ফু উঠতেই ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে ভিড় নাগরিকদের। ভারত থেকে বাংলাদেশে নিজেদের বাড়ি ফিরতে মরিয়া সাধারণ মানুষ।
শিলিগুড়ি সংলগ্ন ফুলবাড়ির বাংলাবান্ধা সীমান্তে বাংলাদেশের দিকে শুরু হয়েছে জনরোষ। সীমান্তের ওপারে টায়ারে আগুন লাগিয়ে বিক্ষোভ দেখায় আন্দোলনকারীরা৷ পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে অতিরিক্ত বিএসএফ জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে সীমান্তে।পাশাপাশি ভারতীয় সেনাকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বনগাঁ পেট্রাপোল সীমান্তেও কড়া নজরদারি চলছে৷ এই সীমান্ত দিয়েও পণ্য পরিষেবা বন্ধ৷ বিশ্বজিৎ সাহা নামে এক বাংলাদেশি নাগরিক এই দেশে এসেছেন পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে৷ প্রাণ বাঁচাতে চলে এসেছেন ভারতে৷ এই কথা কান্না জড়ানো গলায় তিনি বললেন।












Click it and Unblock the Notifications