কংক্রিটের দেওয়াল তোলা হচ্ছে নদীর চড়েই, বড় অভিযোগ নকশালবাড়ি এলাকায়
নদীর চড়ে কংক্রিটের দেওয়াল নির্মাণের অভিযোগ! এই নির্মাণের ফলে যে কোনও মুহূর্তে নদীর গতিপথ ঘুরে যেতে পারে। তার জেরে নতুন করে সমস্যা দেখা দিতে পারে। নকশালবাড়ির খেমচি নদীর চর এলাকায় এই ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
নদীর চড় দখল হয়ে যাওয়ার অভিযোগ আগেই উঠেছিল। সেই সব অভিযোগের ভিত্তিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? তাই নিয়ে প্রশ্ন আছেই। তার মধ্যে এখন অভিযোগ সামনে আসছে।

নদীর গতিমুখ বদলে যাবে আগামী দিনে। এমনটাই আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গোটা ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে নকশালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে। কিন্তু ঘটনাটা কী? নকশালবাড়ি রায়পাড়ার বুক চিরে বয়ে গিয়েছে খেমচি নদী। বর্ষায় ভয়াল রূপ ধারণ করে এই নদী। দুই পাশের বেশ কিছু এলাকা প্রতি বছর প্লাবিত হয়ে নদী গর্ভে চলে যায়।নদীর পাশেই একটি বড় দেওয়াল তোলা হচ্ছে। সেই দেওয়াল তোলার জন্যই এমন হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে সাধারণ মানুষের তরফে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই দেওয়াল তোলার ফলে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ বাধাপ্রাপ্ত হবে। সেক্ষেত্রে সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের আরও বেশি বিপদের সম্মুখীন হতে হবে। এমনই মত স্থানীয় বাসিন্দা মনোরঞ্জন ঘোষ ও বিক্রম ঘোষ ও অন্যান্যদের। বিষয়টি নিয়ে তারা গ্রাম পঞ্চায়েতে অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানানো হয়েছে।
অন্য দিকে নির্মাণকারী মানিক ঘোষের দাবি, প্রতি বছর নদীর জন্য জমি ভেসে নিয়ে যায়। আর্থিক সমস্যা দেখা দেয়। তাই এই দেওয়াল তোলা হচ্ছে। জমি বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সম্পূর্ণ দেওয়ালটি তার নিজের জমির উপরে তৈরি হয়েছে। সেই কথাও বলা হয়েছে।
নকশালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিশ্বজিৎ ঘোষ এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। এলাকা পরিদর্শন করেছেন তিনি। কাজ বন্ধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সেচ দফতরকে দিয়ে জমিটি জরিপ করতে বলা হয়েছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই কথা বলা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications