বিজয়োৎসবকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! জাতীয় সড়কের উপর ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলল গুলিও

তৃণমূলের অবরোধ ঘিরে আচমকা সংঘর্ষ। চলল গুলি। বাধ্য হয়ে পাল্টা গুলি চালাল পুলিশ। শূন্যে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মালদহের কালিয়াচক।

তৃণমূলের অবরোধ ঘিরে আচমকা সংঘর্ষ। চলল গুলি। বাধ্য হয়ে পাল্টা গুলি চালাল পুলিশ। শূন্যে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মালদহের কালিয়াচক। দুই পক্ষের গোলাগুলিতে আহত হয়েছেন পুলিশ অফিসার, সিভিক ভলান্টিয়ার এবং তৃণমূলের কয়েকজন নেতা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

ঘটনার পরেই বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যদিও পুলিশের তরফে গুলি চালানোর অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের কালিয়াচক এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। পঞ্চায়েত প্রধান নির্বাচন ঘিরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অবরুদ্ধ হয় জাতীয় সড়ক। আর সেই অবরোধ তুলতে যেতেই গোলাগুলি চলে বলে অভিযোগ। কালিয়াচকের ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। ওই পঞ্চায়েতের প্রধান নির্বাচন ছিল। সেই নির্বাচন ঘিরেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

তৃণমূলের আলিউল শেখ ওরফে জ্যোতি প্রধান নির্বাচিত হন। এই গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫ জন সদস্যের মধ্যে ৯ জনই তাঁকে সমর্থন করেছেন। ফলে নতুন প্রধান নির্বাচিত হন তিনি।

কিন্তু বাকি পঞ্চায়েতের সদস্যরা আসেননি সভায়। গোটা নির্বাচন পর্ব জুড়েই টানটান উত্তেজনা ছিল। তাই আগে থেকেই পুলিশ হাজির ছিল সেখানে। এরপরই আচমকা পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নতুন প্রধান নির্বাচনের পর বিজয় মিছিল বের করে তৃণমূল। তখন এক দল আর এক পক্ষের ওপর আক্রমণ শুরু করে।

শুরু হয় মারামারি। সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যায় পুলিশ। প্রথমে সিভিক ভলান্টিয়ারদের মারধর করা হয়। এমনকি তার পর পুলিশ অফিসাররা গেলে তাঁদেরও গায়ে হাত তোলা হয় বলে অভিযোগ।

শুধু তাই নয়। মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এর পর রণক্ষেত্রে পরিণত হয় জাতীয় সড়ক। এই পঞ্চায়েত গঠনের পর থেকেই উত্তেজনা ছিল।

আগে কালিয়াচক ১ পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন আমিরুল সেখ। কিন্তু বেশির ভাগ সদস্যই আমিরুলের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনে। নতুন প্রধান হওয়ার পর পঞ্চায়েত সদস্যরা থেকে শুরু করে তৃণমূল কর্মীরা বাজি ফাটিয়ে বিজয়োৎসব শুরু করে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম অস্বস্তিতে শাসকদল তৃণমূল। প্রকাশ্যে এই ঘটনা নিয়ে কিছু বলতে নারাজ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তবে বিষয়টি মোটেই ভালো চোখে দেখছে না শাসক। অন্যদিকে এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল তোপ বিজেপির। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এটাই তৃণমূলের সংস্কৃতি। তা আবার প্রমাণ হল।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+