কোচবিহারে বিজেপির পার্টি অফিসে পরিচয় গোপন রেখে সিভিক ভলান্টিয়ার? তুমুল উত্তেজনা
লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই কোচবিহার উত্তপ্ত। বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ নেমে আসছে। এই অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কোচবিহারে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন প্রতিনিধি দল।
বিজেপি নেতা রবি শংকর প্রসাদ, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সাংসদ বিপ্লব দেব, উত্তরপ্রদেশে বিজেপি নেতা ব্রিজ লাল, সাংসদ কবিতা পাতিদার এসেছেন বাংলায়। গতকাল কলকাতায় বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। বিজেপির ঘরছাড়ারা তাদের আক্রমণ, হিংসার কথা বলেন।

এদিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কোচবিহারে গিয়েছিলেন অগ্নিমিত্রা পলও। কোচবিহারের পার্টি অফিসে এসে পৌঁছান বিজেপির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা৷ আক্রান্ত বিজেপি কর্মী - সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। এদিন পার্টি অফিসের মধ্যেও উত্তেজনা ছড়িয়েছিল।
বিজেপি কার্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন ঘরছাড়া কর্মীরা। তাদের সঙ্গে নেতৃত্ব কথা বলছিলেন। অন্যান্যদের মতো এক যুবক মোবাইল ফোনে ভিডিও করছিলেন। তাকে দেখে সন্দেহ হয়। তার পরিচয় জানতে চান দলের নেতৃত্ব। তার মোবাইল ফোন চেয়ে নেওয়া হয়। জানা যায়, ওই যুবক সিভিক ভলান্টিয়ার। থানা থেকে এসেছেন।
এরপর পার্টি অফিসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি নেতৃত্ব তাকে ঘিরতে শুরু করেন। অগ্নিমিত্রা পল তার মোবাইল খুলে ভিডিও দেখাতে বলেন। বিজেপি কর্মী সমর্থকরা যথেষ্ট উত্তেজিত হয়ে পড়ে। পুলিশ এভাবে পার্টি অফিসে লোক পাঠিয়েছে? তাই নিয়ে চর্চা শুরু হয়।
পার্টি অফিসের ভেতরের কথাবার্তা তাহলে কি ওই সিভিক ভলান্টিয়ার থানায় গিয়ে জানাবে? ভিতরের কথা বাইরে চলে যাবে? এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার বিজেপি কর্মীদের রোষানলে পড়ে যান। শেষ পর্যন্ত নেতৃত্বের সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী তাকে ঘিরে রাখে। পার্টি অফিস থেকে ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারকে নিরাপদে করে দেওয়া হয়।
বিজেপির আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলেছেন নেতৃত্ব। তারা সব সময় কর্মীদের পাশে আছেন। এই বার্তা দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications