উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে বাধা CV Ananda Bose-কে! দেখানো হল কালো পতাকা
North bengal: ফের উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে তুমুল বিক্ষোভের মুখে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতেই বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজ্যপাল। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তরফে এই বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, রাজ্যপালের কনভয় আটকে গো ব্যাক স্লোগানও দিতে দেখা যায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদকে (TMCP)। যা নিয়ে একেবারে উত্তাল পরিস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। যদিও এই বিক্ষোভের মধ্যেই উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। যদিও এই বৈঠক অবৈধ বলে দাবি তৃণমূল ছাত্র পরিষদ।

রাজ্য সরকারকে কিছু না জানিয়ে অবৈধভাবে বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য নিয়োগ করেছেন রাজ্যপাল। এছাড়াও এদিন অবৈধভাবে বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের। উল্লেখ্য, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ রজ্যের ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকের কথা আগেই জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল।
সেই মতো এই বৈঠক শুরু হয়েছে। যদিও দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এদিন বৈঠকে হাজির হননি। কেন এলেন না তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে বিক্ষোভ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের অবজার্ভার মিঠুন বৈশ্য বলেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলে সমস্ত কিছু করতে হবে। আর তা করা হলে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।
তবে অবৈধভাবে বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য নিয়োগ করা হয়েছে। আর তার বিরোধিতা করে আজকে আমাদের এই গো ব্যাক স্লোগান ও বিক্ষোভ। যদিও বিশাল পুলিশ এই মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে উপস্থিত রয়েছে। নতুন করে যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে সেজন্যে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।
কাউকে ঘেঁষতে দেওয়া হচ্ছে না। তবে রাজ্যপাল বের হলে নতুন করে বিক্ষোভ দেখানো হবে বলেই খবর। বলে রাখা প্রয়োজন, উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। দার্জিলিং যাওয়ার পথে সোমবার উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে যান আচার্য তথা রাজ্যপাল।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আচার্য বের হতেই মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য করার দাবি জানিয়ে রাজ্যপালকে কালো পতাকা দেখিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা-কর্মীরা। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। আজ ফের বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন আচার্য। দার্জিলিং থেকে সাড়ে ১০ টা নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে পৌঁছন সিভি আনন্দ বোস।
সেই একই ভাবে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন শাসকদলের ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, বিক্ষোভে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ছিল না। বাইরে থেকে বেশ কিছু লোক এই কাজ করেছে।












Click it and Unblock the Notifications