বিজেপি-তৃণমূল-বাম-কংগ্রেস সবাই একই দলে! কী করে তা সম্ভব হল রাজ্য রাজনীতিতে
বিজেপি-তৃণমূল-বাম-কংগ্রেস সবাই কথা বলছেন এক সুরে। তারা একযোগে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে এবার। রাজ্য রাজনীতিতেই ঘটতে চলেছে এমনই তাজ্জব ঘটনা। কী করে এমন ঘটনা ঘটতে চলেছে, তা নিয়েই শুরু হয়েছে চর্চা। রাজ্যের চার মুখ্য দলই কি না জোটবদ্ধ হয়েছে!
২০২৪-একর লোকসভার নির্বাচন দুয়ারে কড়া নাড়ছে। সেখানে এক রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অন্য রাজনৈতিক দল কোমর বাঁধছে। এই অবস্থায় কি না বাংলায় একযোগে আন্দোলনে নামার সংঙ্কল্প নিয়েছে সবাই-সব পার্টি এক হয়ে। আসলে ভোট বড় বালাই। তাই চা-বাগান শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে সব দল।

চা শ্রমিকদের ২০ শতাংশ বোনাসের দাবিতে অনড় বাম, বিজেপি, তৃণমূল, কংগ্রেস-সহ সমস্ত রাজনৈতিক দল। সমস্ত সংগঠনের নেতৃত্বরা দাবি না পূরণ হলে আন্দোলনে নামার হুশিয়ারি দিয়েছে সমস্ত দল। ১৪ সেপ্টেম্বর উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিকদের পুজো বোনাস নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আয়োজিত হয়।
কিন্ত সেই বৈঠক ভেস্তে যায়। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর পূনরায় বৈঠক ডাক দেওয়া হয়েছে কলকাতায়। বিজেপির চা বাগান সংগঠন বিটিডব্লুইউ-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাজেশ বার্লা জানান, ১৪ সেপ্টেম্বর মালিকপক্ষ চা শ্রমিকদের ৮.৩৩% বোনাস দেওয়ার কথা জানান।
কিন্তু মালিকপক্ষ জানা, এর বেশি দিতে তাঁরা দিতে পারবেন না। এছাড়া ১৪ সেপ্টেম্বর অনেক বাগান এই বোনাস বৈঠকে ছিল না। রাজেশ বার্লা জানান, আমাদের দাবি ২০ শতাংশ বোনাস দিতে হবে। যেগুলো রুগ্ন বাগান সেগুলোকে কিছু ছাড় দেওয়া হবে। দাবি পূরণ না হলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় নেতা ওমদাস লোহার জানান, মালিকপক্ষ শুধু বাহানা করছে। তারা শুধু দেখাচ্ছে ক্ষতি হয়েছে। কিন্ত আমরা ২০ শতাংশ বোনাসের কম মানব না। নচেৎ আন্দোলনে নামব।
জয়েন্ট ফোরাম নেতা এবং সিটু আলিপুরদুয়ার জেলা সম্পাদক বিকাশ মাহালি জানান ১৪ সেপ্টেম্বর বেশ কয়েকটি চা বাগানের বোনাস তালিকা দেওয়া হয়নি। এছাড়া মালিকপক্ষ কম শতাংশ বোনাস দেবে বলে জানিয়েছে, যেটা মানা যাবে না। তাই আগামী ২১ সেপ্টেম্বর পূনরায় বৈঠক ডাকা হয়েছে। বিকাশ মাহালি জানান, দাবি না মানলে আমরা আন্দোলনে নামব।












Click it and Unblock the Notifications