রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে আপাতত ইতি! সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জল্পনা বাড়ালেন উত্তরবঙ্গের বিজেপি বিধায়ক
দলের বিভিন্ন কমিটিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি মতুয়া বিধায়কদের, সেই অভিযোগে করে দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছেন একাধিক বিধায়ক। তারপর তারা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে বৈঠকেও করেছেন। সেই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক কর্ম
দলের বিভিন্ন কমিটিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি মতুয়া বিধায়কদের, সেই অভিযোগে করে দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছেন একাধিক বিধায়ক। তারপর তারা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে বৈঠকেও করেছেন। সেই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে সরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ময়নাগুড়ির (Mainaguri) বিজেপি (bjp) বিধায়ক (mla) কৌশিক রায়ের(Kaushik Roy)। যা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট
ফেসবুকে সেলফির সঙ্গে ক্যাপশন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে আপাতত নেই। স্পষ্ট করলে বলা যায়, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে আপাতত থাকছেন না। এমনটাই জানিয়েছেন ময়নাগুড়ির বিজেপি বিধায়ক কৌশিক রায়।

মুহ মে রাম নাম, বাগলমে তিনকা
ফেসবুক পোস্টে বিজেপি বিধায়ক লিখেছেন, মুহ মে রাম নাম, বাগলমে তিনকা। সমাধান না হয়, সেই পর্যন্ত সব রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে নিজেকে বিরত রাখতে বাধ্য হলাম। জয় শ্রীরাম। এই কটি শব্দই উল্লেখ করেছেন ওই বিধায়ক। যা নিয়ে তাঁকে নিয়ে দলের মধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এব্যাপারে তিনি সংবাদ মাধ্যমে বলেছেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় শব্দ প্রয়োগ নিয়ে আর কিছু তিনি বলেননি।

দলের অন্দরেই ক্ষোভ
তবে ময়নাগুড়িতে বিজেপির অন্দরমহলে যে ক্ষোভ রয়েছে, তা আকারে ইঙ্গিতে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন অন্য নেতারা। জেলা কমিটির একাংশের তরফে জানানো হয়েছে, জেলা সভাপতি বিধায়ককে দলীয় কর্মসূচি নিয়ে কোনও কিছুই জানাচ্ছেন না। সামনেই ময়নাগুড়ি পুরসভার নির্বাচন। সেই নির্বাচনের কমিটি গঠন নিয়ে বিধায়কের মতামত না নেওয়ারও অভিযোগ করেছেন জেলা কমিটির ওই অংশ। সেই কারণেই বিধায়কের এই অবস্থান বলে জানানো হয়েছে। তবে এব্যাপারে সরকারিভাবে তারা কোনও মতামত জানাতে অস্বীকার করেছেন।

পাল্টা জবাব জেলা সভাপতির
বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি অবশ্য অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যদি বিজেপি রাজ্য ক্ষমতায় আসত, তাহলে কি বিধায়ক এই ধরনের কাজ করতেন? তিনি আরও বলেছেন, দলের কর্মীরাই দলের সম্পদ, তাঁদেরই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জেলা সভাপতি কথাতেই পরিষ্কার হয়ে দিয়েছে, দলের অভ্যন্তরে দ্বন্দ্বের কথা।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত নভেম্বরে ময়নাগুড়ির ধরাইকুড়িতে টলমল পায়ে মঞ্চে নাচতে দেখা গিয়েছিল এই বিধায়ককে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দেখা গিয়েছিল তাঁকে সামাল দিতে। কৌশিক রায়ের নাচের সেই ভিডিও সেই সময় ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল ময়নাগুড়ির সংস্কৃতিকে নষ্ট করছেন ওই বিধায়ক।












Click it and Unblock the Notifications