বাজারে আগুন, যোগান থাকতেও ভোজনরসিকদের পাতে পড়ছে না ইলিশ
মহাঅষ্টমীতে দেবীর আরাধনায় মেতেছেন আট থেকে আশি। প্যান্ডেল হপিং এর সঙ্গে চলছে দেদার খাওয়াদাওয়া। সে বাড়ির রান্না হোক কিংবা বাইরের। ভোজনরসিকদের বরাবরই প্রিয় ইলিশ। বাঙালির দুর্গাপুজোর খাওয়া দাওয়া মানেই ইলিশ মাছ থাকবেই। আর সে যদি পদ্মার ইলিশ হয়, তাহলে তো আর কথাই নেই।
ষষ্ঠী থেকে যেমন চলে প্যান্ডেল হপিং ঠিক তেমনি চলে খাওয়াদাওয়াও যা চলে প্রায় বিজয় দশমী পর্যন্ত। আর অষ্টমী থেকে বিজয় দশমী পর্যন্ত বাঙালির খাওয়াদাওয়া মানেই মূলত মাছ, মাংস। সে কচি পাঠা হোক বা পদ্মার ইলিশ। বাড়িতে রান্না মানেই এই ২টো পদ থাকবেই। আর বাইরেও এখন দেখা মেলে ইলিশ বিরিয়ানি থেকে শুরু করে অনেক কিছুর।

তবে এবার শিলিগুড়ির বাজারে পদ্মার ইলিশ থাকলেও দাম একেবারে আকাশছোঁয়া। বিক্রেতারা বলছেন এবছর পদ্মার ইলিশ অনেক দেরিতে এসেছে এবং আসার পর থেকে দাম রয়েছে প্রচুর। যার ফলে পুজোর মধ্যে ব্যবসা নিয়ে অনেকটাই চিন্তায় তারা।
কিছু সংখক মানুষ যাঁরা বড্ড ইলিশ প্রিয়। তারা একটু দাম দিয়ে হলেও পুজোর দিনে ইলিশ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে ভোজনরসিকরা ইলিশ কিনতে এসে একটু হিমশিমই খাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে বলা যেতেই পারে ইলিশ কিনতে গিয়ে পুজোর দিনে পকেটে পড়ছে টান মধ্যবিত্ত ভোজনরসিকদের। যার ফলে খানিকটা কমই লাভের মুখ দেখছেন বিক্রেতারা। অন্তত এমনটাই বক্তব্য বিক্রেতাদের।
কলকাতার অবস্থাও কমবেশি একই। ৩০০ থেকে ৪০০ গ্রামের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায়। অন্যদিকে একটু বেশি ওজনের হলেই তার দাম কেজি পিছু ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা। এদিকে পুজোর মুখে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ইলিশ ধরার ওপরে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাংলাদেশ সরকার। এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত। যে কারণে রাজ্যে কার্যত বন্ধ ইলিশের আমদানি।












Click it and Unblock the Notifications