মাধ্যমিক পরীক্ষায় নকল করতে বাধা, জলপাইগুড়িতে স্কুলে ভাঙচুর চালালো নাবালক ছাত্ররা
পরীক্ষার্থীরা টুকবেই। কেন তাদের শিক্ষকরা বাধা দিয়েছে? কেন সব টুকলি নিয়ে নিয়েছে? এভাবে কী আর মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়া যায়? অতএব চালাও ভাঙচুর। নাবালকদের ভয়াবহ রূপ দেখে হতবাক শিক্ষকরাও৷
মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন এই ঘটনা ঘটল। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা ভাঙচুর চালাল দেদারে। টুকলি করতে তাদের দেওয়া হয়নি। আটকানো হয়েছে পরীক্ষার সময়। তাই এই ভাঙচুর বলে জানা গিয়েছে। জলপাইগুড়ি বারোপাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পাচিরাম নাহাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের ঘটনা।

স্কুলের তরফে জানানো হয়েছে, ভাঙচুর করা হয়েছে দুটি ক্লাসরুমের জানলা, ফ্যান, সুইচবোর্ড। বেলাকোবা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সিট পরেছিল ওই স্কুলে। পরীক্ষার্থীরাই ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ। গোটা বিষয়টি পর্ষদকে জানানো হয়েছে। এমনই দাবি বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সভাপতি কৃষ্ণ দাস।
কিন্তু হয়েছেটা কী? আজ সোমবার ছিল মাধ্যমিকের ইতিহাস পরীক্ষা। নির্ধারিত সময়ে সেই পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। কিছু ছাত্র নকল করতে শুরু করেছিল। পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত শিক্ষকরা তাদের নকল করতে বারণ করে৷ কিন্তু ছাত্ররা সেইসব কথা কানেও তোলেনি বলে অভিযোগ। অকুতোভয় হয়ে ওই ছাত্ররা দেদারে টুকতে থাকে।
শিক্ষকরা তাদের বাধা দেন। নকল কাগজগুলিও নিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে খবর। যাই হোক, তখন আর ঝামেলা হয়নি৷ পরীক্ষা শেষ হল। তারপরই রূপ বদলে গেল পরীক্ষার্থীদের। শুরু হল ক্লাসঘর ভাঙচুর।
অভিযোগ দুটি ক্লাসরুমের জানলা, ফ্যান সম্পূর্ণ ভাঙচুর করে এই ছাত্রের দল। কেউ তাদের আটকাতে পারেনি। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের এত দু:সাহস হতে পারে কীভাবে? সেই প্রশ্ন উঠেছে।
জানা গিয়েছে, এই প্রথমবার নয়। এর আগেও এই বেলাকোবা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা এমন কাজ করেছে। এই বিদ্যালয়ের ছাত্রদের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ আছে। পাচিরাম নাহাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোটা বিষটি পর্ষদকে জানিয়েছেন। বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সভাপতি এই কথা জানান।












Click it and Unblock the Notifications