Malda: বন্ধ দোকান, ফাঁকা রাস্তাঘাট! মানবশূন্য মানিকচকে কেমন চলছে বনধ
Malda: বৃহস্পতিবারের পর আজ শুক্রবার সকাল থেকে একেবারে থমথমে মালদার মানিকচকের এনায়েতপুর এলাকা। লোকশূন্য গোটা গ্রাম এখনও। অন্যদিকে ঘটনার প্রতিবাদে আজ শুক্রবার সিপিএমের ডাকা ১২ ঘণ্টার বনধ পালিত হচ্ছে মানিকচকে। সকাল থেকেই গোটা এলাকায় তার প্রভাব পড়েছে যথেষ্ট। অন্যান্য দিন ব্যস্ততা থাকে আজ তেমনটান নেই।
মানিকচক সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে সমস্ত দোকানপাট বন্ধ রয়েছে, বন্ধ রয়েছে যান চলাচলও। এমনকি রাস্তায় খুব একটা মানুষকেও দেখা যাচ্ছে। নতুন করে যাতে অশান্তি না ঘটে সেজন্য সকাল থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে কোনও জমায়েত না হয় সেজন্য পুলিশের তরফে টহলদারিও চালানো হচ্ছে।

বলে রাখা প্রয়োজন, কার্যত প্রত্যেকদিন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মালদা মানিকচক রাজ্য সড়কের সাত জায়গায় পথ অবরোধ করে উত্তেজিত জনতা। আর সেই অবরোধ তুলতে গিয়ে একেবারে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যায়। পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে উত্তেজিত জনতা। শুরু হয় একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্ট। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি। এমনকি বেশ কয়েকটি পুলিশের গাড়িকে ফেলে দেওয়া হয় জলাশয়েও।
আক্রান্ত হন একাধিক পুলিশ কর্মী। মালদার মানিকচকের এনায়েতপুরে পরিস্থিতি সামলতে গুলি চালাতে বাধ্য হয় পুলিশ। আর সেই গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন দুই সাধারণ গ্রামবাসী। তড়িঘড়ি তাদেরকে উদ্ধার করে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর এই ঘটনায় শুরু হয় বিতর্ক। প্রশ্নের মুখে পড়ে যায় পুলিশ প্রশাসন। হঠাত কেন গুলি চালানোর প্রয়োজন পড়ল তা নিয়ে তড়িঘড়ি রিপোর্ট চায় নবান্ন। ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।
সম্পূর্ণ ঘটনবা সরজমিনে খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। গুলি চালানো প্রসঙ্গে প্রদীপ কুমার যাদব জানান, অবরোধ তুলতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হয় পুলিশ কর্মীরা। রক্তাক্ত পুলিশ কর্মীরা একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ওই বাড়ি ঘিরে ফেলে উত্তেজিত জনতা।
বাড়িতে পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালানোর চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। সেই সময় বাড়িতে দুই মহিলা, এক শিশুর সহ ছয় জন পুরুষ ছিলেন। তাঁদের জীবন রক্ষায় এবং নিজেদের আত্মরক্ষায় বাধ্য হয়ে গুলি চালাতে হয়েছে বলে দাবি। এর আগে রাবার বুলেট এবং কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। আর তাই এক রাউন্ড গুলির কথা শিকার পুলিশ সুপার।












Click it and Unblock the Notifications