নিশীথ প্রামাণিকের পর এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লার নামে জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা
নিশীথ প্রামাণিকের পর এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লার নামে জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা, নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ
কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জন বার্লার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করল কোচবিহারের তুফানগঞ্জ মহকুমা দায়রা আদালত। এর আগে বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছিল গ্রেফতারি পরোয়ানা। বিধানসভা নির্বাচনের সময় বিজেপি সাংসদ জন বার্লার বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলাতেই এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

জন বার্লার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা
কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিকের পর এবার রাজ্যের আরেক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জন বার্লার বিরুদ্ধে জারি হল গ্রেফতারি পরোয়ানা। গতকাল কোচবিহারের তুফানগঞ্জ মহকুমা দায়রা আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিধি ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সেই সময় বিধিভঙ্গের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ঘটনাতেই জারি করা হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা।

আদালতের নির্দেশ
নির্বাচনি বিধিভঙ্গের অভিযোগের মামলায় জন বার্লাকে আদালতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। এমনকী তাঁর আইনজীবীও হাজিরা দেয়নি। এই মামলায় বাকিদের জামিন দেওয়া হলেও জন বার্লাকে জামিন দেওয়া হয়নিষ। তারপরে আবার আদালতের নির্দেশ অমান্য করে হাজিরা এড়ানোয় তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

নিশীথ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
এর আগে বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আলিপুরদুয়াল আদালত নিশীথ প্রামণিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। ২০০৭ সালে ২টি সোনার দোকানে চুরির ঘটনায় নিশীথ প্রামাণিকের নাম জড়িয়েছিল। সেই মামলাতেই তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিজেপির উপর চাপ তৈরি করতেই একের পর এক নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

কি নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ
২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের সময় নির্বাচনী বিধি জারি থাকার মধ্যেই বিডিও অফিস চত্বরে পথসভা করেছিলেন বিজেপি প্রার্থী জন বার্লা ও তাঁর দলের কর্মী সমর্থকেরা। সেই পথসভার অনুমতি না থাকায় নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে বক্সিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকই এই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন জন বার্লার বিরুদ্ধে। শুধু জন বার্লা নন চারজনের নাম ছিল এই মামলা। তিনজনে জামিন হলেও জন বার্লাকে জামিন দেওয়া হয়নি। ১৫ নভেম্বর তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল আদালতে।












Click it and Unblock the Notifications