Amit Shah: ৩৫ নয় ৩০টি আসন দিয়ে দিন, হঠাৎ করে বাংলার আসনের টার্গেট কমালেন কেন শাহ
রাজ্যে প্রথম প্রচারে এসে বাংলা জয়ের সুর চড়ালেন বিজেপির চাণক্য অমিত শাহ। তবে আসনের টার্গেট সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছেন তিনি। এতোদিন বিজেপি দাবি করছিল ৩৫ আসনের, অমিত শাহ বালুরঘাটের সভা থেকে বলেছেন, ৩০টা আসন দিয়ে দিন বিজেপিকে। দিল্লিতে সরকার গড়তে দিন।
তিনি সেই সঙ্গে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন গোটা দেশে বিজেপি ৩০০ আসন পার করতে পারলেই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প হবে সকলের জন্য। সেই সঙ্গে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আর কেউ অনুপ্রবেশ করতে পারবেন না। বেআইনি অনুপ্রবেশ রুখে দেবে মোদী সরকার। যেমন অসম সীমান্ত দিয়ে আর কেউ প্রবেশ করতে পারে না। ঠিক তেমনই বাংলা সীমান্ত দিয়েও কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না।

গত লোকসভা ভোটে অপ্রত্যাশিত ভাবেই ১৮টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। শাসক দলের শিবিরে বেশ ভালই ধাক্কা এসেছিল। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে তেমন আশানুরূপ ফল করতে পারেনি বিজেপি। এবার আবার লোকসভা ভোটের আগে কোমর কষেছে গেরুয়া শিবির। প্রথম ৩৫ আসনের টার্গেট নিয়েছিল তারা। কিন্তু অমিত শাহ প্রথম প্রচার সভা থেকেই সেই টার্গেট অনেকটাই কমিয়ে দিলেন তিনি।
বাংলায় ভোটের প্রথম দফা ১৯ এপ্রিল। হাতে মাত্র আর আট দিন বাকি। তার আগেই হঠাৎ করে টার্গেট কমিয়ে দিলেন কেন তিনি তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। অমিত শাহ বালুরঘাটের সভা থেকে বলেছেন বাংলায় ৩০ আসনে জিতবেই বিজেপি। আর সেটা পেলেই বাংলায় অনুপ্রবেশ বন্ধ করে ছাড়বে মোদী সরকার। যেমনটা অসমে বন্ধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি বাংলার ভোটারদের কাছে আর্জি জানিয়েছেন কেন্দ্রে ফের যেন মোদী সরকার গড়ে তোলার পথ তৈরি করে দেন তাঁরা। ৩০০ আসন পার করলেই গোটা দেশে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করা হবে
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০২৩ সালে রাজ্যে সভা করতে এসে ৩৫ আসনের টার্গেট বেঁধে দিয়েছিলেন অমিত শাহ। তাহলে কেন ভোটের ঠিক আটদিন আগে টার্গেট কমিয়ে দিলেন বিজেপির চাণক্য। তাই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। গতলোকসভা ভোটে বিজেপি উত্তরবঙ্গে ভাল ফল করেছিল। কিন্তু বিধানসভা ভোটে উত্তরবঙ্গে তেমন ভাল ফল করতে পারেনি বিজেপি। সুকান্ত মজুমদােরর নিজের এলাকাতেই তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছিল।
এবার বঙ্গে বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকে বেশ অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রে রাজু বিস্তকে প্রার্থী করায় বিদ্রোহী হয়ে উঠেছেন কার্শিয়াংয়ের বিজেপি বিধায়ক। তিনি নির্দল প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। বহিরাগতকে পাহাড় কতটা এবার গ্রহণ করবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। অন্যদিকে আলিপুরদুয়ার কেন্দ্রের প্রার্থী নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে বিজেপি শিবিরে।












Click it and Unblock the Notifications