ফের উত্তপ্ত অভিশপ্ত সেই শীতলকুচি, গুলিতে মৃত্যু যুবকের
ভোট মিটে যাওয়ার পর ফের উত্তেজনা ছড়াল শীতলকুচিতে। গুলিতে মৃত্যু হল এক যুবকের। তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের সদস্য নয় বলেই জানা গিয়েছে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।
ভোট মিটে যাওয়ার পর ফের উত্তেজনা ছড়াল শীতলকুচিতে। গুলিতে মৃত্যু হল এক যুবকের। তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের সদস্য নয় বলেই জানা গিয়েছে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।

যদিও বিজেপির দাবি, মৃত ওই যুবক তাদের দলেরই সমর্থক। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশবাহিনী।
কীভাবে ওই যুবকের মৃত্যু তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে মৃত ওই যুবকের দেব ময়নাতদন্তের জন্যে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, চতুর্থ দফার ভোটে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল শীতলকুচি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। আর সেই গুলিতে চারজনের মৃত্যুর খবর সামনে আসে।
তবে ভোট মিটতে না মিটতেই ভোট পরবর্তী হিংসাতে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাতে।
রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গাতে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন। এমনকি খুন পর্যন্ত হয়েছে। যা নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। আর এর মধ্যেও ভোটের ফল প্রকাশের পরেই ফের একবার উত্তেজনা শীতলকুচিতে।
ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনায় ফের গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল এক যুবকের। তাঁর সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক নেই বলেই দাবি পরিবারের।
জানা গিয়েছে, শীতলকুচির ছোট শালবাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। কে বা কারা এই গুলি চালাল তা যদিও এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সোমবার সকালে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলে গুলিও। আর তার মাঝে পড়েই ওই যুবক আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ জানিয়েছে তাঁর পরিবার।
এলাকার মানুষের দাবি, ভোটের ফলপ্রকাশের পর অর্থাৎ রবিবার রাত থেকেই শীতলকুচির বিভিন্ন এলাকা রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সেখানে বিজেপি কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
সেই সময়ই শীতলকুচির ছোট শালবাড়ী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মানিক মৈত্র নামে ওই যুবকের বাড়ির আশেপাশে ভাঙচুর হয়েছে বলেও দাবি জানা গিয়েছে, ওই যুবকের গুলি এসে পেটে লেগেছে। এর পরে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পরেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, তৃণমূল-বিজেপি দলের মধ্যেই ঝামেলা হচ্ছিল।
কোন দল গুলি চালিয়েছে সেটাও এখনও স্পষ্ট নয় বলে দাবি। তবে গুলি চলেছে বলে প্রমাণ তাঁদের বাড়ির সদস্যের মৃত্যু।
উল্লেখ্য, শীতলকুচিতে বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বিজেপির প্রার্থী বরেণ বর্মণ। জয়ের ব্যবধানটাও কম নয়। ভোটগণনা শেষে দেখা যাচ্ছে, শীতলকুচিতে ১৭ হাজার ৮১৫ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিজেপির এই প্রার্থী। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন তৃণমূলের পার্থ প্রতিম রায়।
তবে এই ঘটনার পরেই বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এলাকায়। তবে ঘটনার পর শোকের ছায়া এলাকায়। তবে বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষের পর উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।












Click it and Unblock the Notifications