Indian Railway: আরও আধুনিক IBH ব্যবস্থা রেলে! সময় বাঁচিয়ে আরও দ্রুত ছুটবে এবার ট্রেন
Indian Railway: আলিপুরদুয়ার জংশন স্টেশন থেকে রাজাভাত খাওয়া স্টেশনের দূরত্ব প্রায় ১১ কিলোমিটার। লাইনটি সিঙ্গেল, ফলে বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রেন দুটির মধ্যে একটিকে দাঁড় করিয়ে রাখা হতো। প্রথম ট্রেন ওই স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনটিকে পাস করার পর দ্বিতীয় ট্রেনটির যাত্রা ফের শুরু হতো। এতে নির্দিষ্ট টাইম টেবিল মানা সম্ভব হতো না।
প্রত্যেকদিনই যাত্রীদের ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হতো। যা নিয়ে ক্রমশ ক্ষোভ বাড়ছিল। এবার সেই সমস্যার সমাধান করতে দুটি স্টেশনের মাঝে ইন্টারমিডিয়েট ব্লক হাটের (IBH) ভাবনা ভারতীয় রেলের (Indian Railway) । এই বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার জংশন বিভাগ।

রেল ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে শুরু হয়েছে আলোচনা। খুব শীঘ্রই এই বিষয়টি কার্যকর করা হবে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু কি এই ইন্টারমিডিয়েট ব্লক হাট (IBH) সিস্টেম। যা রেল চলাচলে গতি আনবে বলে দাবি রেল আধিকারিকদের (Indian Railway)?
Indian Railway: কিন্তু কি এই IBH ?
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, হাসিমারা ও মাদারীঘাট স্টেশন, বিন্নাগুরি ও বানারহাট স্টেশন মাঝামাঝি নাগরাকাটা ও চালশা স্টেশন, চালশা ও সেবক এর মাঝখানের দূরত্ব প্রায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার। ফলে এক স্টেশন (Indian Railway) থেকে অপর স্টেশনে ট্রেন না পৌঁছানো পর্যন্ত অনেকটা সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয় দ্বিতীয় ট্রেনটিকে। এই রকম স্টেশনগুলোকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
দুটি স্টেশনের মাঝের কোন একটি জায়গায় এই IBH তৈরি করা হবে। মূলত লুপ লাইনের আদলে সিঙ্গেল লাইন থেকে একটি শাখা লাইন বের করা হবে। দুটি স্টেশন থেকে মুখোমুখি দুটি ট্রেন যাত্রা করলে একটি ট্রেন সেই ইন্টারমিডিয়েট ব্লক হাট এলাকায় দাঁড়াবে। অপর ট্রেনটি তখন সিঙ্গেল রুট দিয়ে যাবে।
এতে অপর ট্রেনটিকে দাঁড়াতে হলেও অর্ধেক রাস্তা চলে আসায় সময় কিছুটা হলেও কম লাগবে। সংলগ্ন এলাকায় একটি যন্ত্রপাতি রাখার ঘর থাকবে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার জংশন বিভাগের বিভাগীয় কার্যালয় থেকে এমনটাই জানালেন বিভাগীয় প্রবন্ধক অমরজিৎ গৌতম।
তিনি বলেন IBH চালু হলে সিঙ্গেল লাইনে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ট্রেনের অনেকটা সময় কম লাগবে। আলিপুরদুয়ার জংশন থেকে শিলিগুড়ি জংশন পর্যন্ত এখনও সিঙ্গেল লাইন রয়েছে। ফলে এই রুটে একাধিক IBH ব্যবস্থা চালু করার কাজ চলছে। পাশাপাশি তিনি রেলের আরেকটি নির্দেশিকার কথা জানান।
তিনি জানান , এরপর থেকে প্লাস্টিকজাত জিনিসপত্র জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় ফেলে রাখা যাবে না। জঙ্গল এলাকায় প্লাস্টিক ও প্লাস্টিকজাত দ্রব্য সহ প্যান্ট্রি কারের খাবার, কিংবা প্যাকেট ফেললে রেললাইনে হাতিসহ বন্যপ্রাণী চলে আসার সম্ভাবনা থাকছে। সেটা আটকাতে এই বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। রেলকর্মীরা বিষয়টির উপর নজরদারি চালাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications