Krishnanagar: মহুয়ার লোকসভা কেন্দ্রে নারকীয় হত্যাকাণ্ড, দুর্গা মণ্ডপের সামনে মহিলার দগ্ধ বিবস্ত্র দেহ উদ্ধার
আরজি কর কাণ্ডের মাঝেই ফের প্রশ্নের মুখে নারী সুরক্ষা। কৃষ্ণনগরের মহিলা পরিচালিত পুজো মণ্ডপের সামনেই উদ্ধার হয়েঠছে মহিলার বিবস্ত্র দেহ। যাতে কেউ চিনতে না পারে সেকারণে মহিলার মুখ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই নারকীয় ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন।
কৃষ্ণনগর তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা সাংসদ মহুয়া মৈত্রের লোকসভা কেন্দ্র। সেখানে এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ গিয়ে সেখান থেকে দেহ উদ্ধার করেছে।

পুলিশের দাবি অন্যত্র খুন করে দেহ ফেলে দেওয়া হয়েছে। যাতে প্রমাণ লোপাট করা যায় সেকারমে মুখ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই দেহটি উদ্ধার করে শক্তিনগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখান থেকে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বুধবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা দেহটি মণ্ডপের সামনে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে জানায়।
ঘটনায় রীতিমতো উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। কীভাবে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। নারী সুরক্ষা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে সেমিনার রুমের মধ্যেই নৃশংসভাবে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। সেই ঘটনার সিবিআই তদন্ত শুরু হলেও। এখনও পর্যন্ত কেবল মাত্র একজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রমাণ লোপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তাররা।
প্রতিবাদে ধর্মতলায় অনশন শুরু করেছেন আন্দোলনকারীরা। আরজি করের ঘটনার ন্যায় বিচারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রকৃত দোষীরা এখনও ছাড়া পায়নি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসকদের সুরক্ষার দাবিতেও সরব হয়েছেন। সরকার তাঁদের কোনও দাবি পূরণ করছে না বলে অভিযোগ করেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। যতদিন না সরকার তাঁদের দাবি পূরণ করছেন ততদিন এই অনশন তাঁরা প্রত্যাহার করবেন না বলে জানিয়েছেন।
এদিকে আরজি কর হাসপাতালের ঘটনার পরেও কুলতলী থেকে শুরু করে একাধিক জায়গায় ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা ঘটে চলেছে। এবার একেবারে দুর্গাপুজোর মণ্ডপের সামনে মহিলার বিবস্ত্র দেহ উদ্ধারের ঘটনায় আবারও প্রশ্নের মুখে পড়েছে নারী সুরক্ষা।












Click it and Unblock the Notifications