তিন দশক পরে অধীর-গড়ে খেলা ঘোরাল তৃণমূল! কাজেই আসল না 'রবিনহুডে'র স্ট্র্যাটেজি
তিন দশক পরে অধীর-গড়ে খেলা ঘোরাল তৃণমূল! কাজেই আসল না 'রবিনহুডে'র স্ট্রেটেজি
সবুজ ঝড়ে উড়ে গেল অধীর গড়! তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে কংগ্রেসের দখলে ছিল বহরমপুর পুরসভা। কিন্তু সবুজ ঝড়ে সেই দুর্গের পতন ঘটল। তৃণমূলের দাপটের সামনে দাঁড়াতেই পারল না কংগ্রেস প্রার্থীরা। আর এই জয়কে অধীর চৌধুরীর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জয় বলেই দাবি শাসকদল তৃণমূলের। এমনকি বিজেপিও এই পুরসভা থেকে পুরো সাফ হয়ে গিয়েছে। আর এই ফলাফল সামনে আসার পরেই সবুজ আবির খেলায় মেতে উঠলেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।

এই পুরসভা কংগ্রেসের দখলেই ছিল
তথ্য বলছে কংগ্রেস এই পুরসভা শাসন করছে। তথ্য বলছে ১৯৮৬ সাল থেকে এই পুরসভা কংগ্রেসের দখলেই ছিল। কিন্তু ২০১৭ সালের মাঝামাঝি এই পুরসভায় কংগ্রেস কাউন্সিলরদের দলবদলের ফলে তৃণমূল ক্ষমতায় আসে। কিন্তু তথ্য অনুযায়ী গত পুরসভা ভোটে ২৬ টি আসনে জিতেছিল কংগ্রেস। মাত্র দুটি ওয়ার্ড পেয়েই খুশি থাকতে হয়েছিল তৃণমূলকে। কিন্তু এবার পুরসভা নির্বাচনে অধীর গড় হিসাবে পরিচিত বহরমপুরের খেলাটাই ঘুরিয়ে দিয়েছে শাসকদল!

বিজয় উৎসব শুরু তৃণমূল কংগ্রেসের
ভোট গণনা শুরু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক পুরসভায় জয়জয়কার শাসকদলে। এখনও পর্যন্ত যা তথ্য তাতে একাধিক পুরসভায় বিরোধী শূন্য। দিকে দিকে জয় তৃণমূল প্রার্থীদের। যার প্রভাব পড়েছে বহরমপুরেও। বিধানসভা ভোটেও কার্যত একই ছবি দেখা গিয়েছিল। এবার পুরসভাতেও সেই ছবি দেখা গেল। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২৮ টি ওয়ার্ডে তৃণমূল এগিয়ে রয়েছে। আর তাতেই ছবিটা স্পষ্ট। আর তা হতেই বিজয় উৎসব শুরু তৃণমূল কংগ্রেসের।

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এই জয়
জয়ী তৃণমূল প্রার্থীর কথায় অধীর চৌধুরি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এই জয়। মানুষকে ভয় দেখাতেন এখানকার সাংসদ। ভয় ভিতিতে মানুষ ভোট দিতে পারেননি দিনের পর দিন। তবে এবার ভালো ভোট হওয়াতে মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরেই আস্থা রেখেছেন। এবার বহরমপুরের মানুষও উন্নয়ন পাবেন বলে দাবি তৃণমূল নেতার। তবে কংগেস শক্ত ঘাঁটিতে ধুয়ে মুছে গিয়েছে বিজেপি! সেই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এখানে বিজেপি বলে কিছু নেই। কংগ্রেস সুবিধা করে দিত বলে আঞ্চল্যকর দাবি।

এখনও কিছু বলেননি অধীর চৌধুরি।
তবে কংগ্রেসের দাবি, ভোটের আগে থেকে কংগ্রেস প্রার্থীদের ভয় দেখানো হয়েছে। বোমাবাজি করা হয়েছে। এমনকি ভোটের দিন এজেন্টদের বসতে দেয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের। শুধু ইয়াই নয়, অবাধ ছাপ্পা, বোমাবাজি, বহিরাগতদের তাণ্ডব দেখেছে বহরমপুরের মানুষ। এমনকি বিভিন্ন জায়গাতে অধীর চৌধুরীকে আটকে রাখা হয়। সন্ত্রাসের ভোটে এমন ফলাফল হওয়াটাই সাভবাইক বলে দাবি কংগ্রেস নেতার। যদিও এই বিষয়ে এখনও কিছু বলেননি অধীর চৌধুরি।












Click it and Unblock the Notifications