Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

তৃণমূল তো আর ধৃতরাষ্ট্র নয়! বেসুরো বার্তায় কী বোঝাতে চাইলেন বিদ্রোহী হুমায়ুন

পঞ্চায়েত ভোটের আগে থেকেই বেসুরো বাজছেন মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এমনকী তিনি নির্দল প্রার্থীর হয়ে ভোট প্রচারও করেছিলেন। পঞ্চায়েত ভোট মিটে যাওয়ার পরও তিনি বিদ্রোহী ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন। তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠলেন ইসলামপুরের তৃণমূল বিধায়ক আবদুল করিম চৌধুরীর মতোই।

ফের বিদ্রোহী হুমায়ুন কবীর জয়ী নির্দল প্রার্থীদের নিয়ে নিজের বাড়িয়ে বৈঠক করেন। তারপর কার্যত রাজ্য নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি। ভরতপুরের বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়ক একইসঙ্গে দলের জেলা সভানেত্রী ও চেয়ারম্যানকে অপসারণের দাবিতে অনড় থেকেছেন।

 Humayun Kabir

তিনি বলেন, আমি খোলাখুলিই নির্দলদের সমর্থন করছি. তার কারণ ওরা আমার লোক। দলের জেলা সভানেত্রী ও চেয়ারম্যানরা বিধায়ককে অন্ধকারে রেখে নিজেদের মতো প্রার্থী ঠিক করেছিল। তাই আমরা নির্দল প্রার্থী দিতে বাধ্য হই। তাই তাঁদের প্রতিই তাঁর সমর্থন থাকবে বলে পরিষ্কার জানিয়ে দেন হুমায়ুন।

হুমায়ুন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, দল চাইলে নির্দলদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে পারে। তাহলে ওকরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে। পঞ্চায়েতের উন্নয়নের জন্য স্থানীয়স্তরের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। সেখানে রাজ্য বা সর্বভারতীয় কিংবা জেলা নেতৃত্ব বা বিধায়করে কোনও ভূমিকা নেই বলে মনে করেন তিনি।

তিনি ফরে একবার রাজ্য নেতৃত্বকে একহাত নিয়ে বলেন. ভোটপর্ব মিটে যাওয়ার পর কেউ হাপু গান গাইলে আমার কিছু করার নেই। দল তো ধৃতরাষ্ট্র নয়, সবই দেখছে। কারও কোনও অধিকার নেই দলের ক্ষতি করার। কিন্তু একাংশ দলের ক্ষতি করে চলেছে। নাম না করে হুমায়ুন কবীর জেলা সভানেত্রী শাওনি সিংহরায় ও চেয়াম্যান অপূর্ব সরকারকেই নিশানা করেন।

মনোনয়ন পর্ব থেকেই বেসুরো বাজছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। তাঁর সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী ও চেয়ারম্যান প্রার্থী ঠিক করেছিলেন অভিযোগ তুলে নির্দল প্রার্থীর সমর্থনে ভোট প্রচারের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। সেই কথা মতো ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর দলের নির্দেশের বাইরে গিয়ে নির্দল প্রার্থীদের সমর্থনে ভোট প্রচার করেন।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে ভরতপুরের তৃণমূল বিধাযক হুমায়ুন কবীর বিদ্রোহ ঘোষণা করলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার দিন রণে ভঙ্গ দিয়ে সুড়সুড় করে হাজির হয়েছিলন সভাস্থলে। তাঁর বিদ্রোহের সঙ্গীরাও হাজির ছিলেন অভিষেকের সভায়। তৃণমূল বনাম তৃণমূল যুদ্ধ অবসানের ইঙ্গিত থাকলেও আদতে তা হয়নি।

হুমায়ুন তাঁর সিদ্ধান্ত অনড় থেকে নির্দলের সমর্থনে প্রচারে নামেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন নিয়ে হুমায়ুন কবীরর নেতৃত্বে তৃণমূলের চার বিধায়ক বিদ্রোহ করেছিলেন। তবে এখন বিদ্রোহী ভূমিকায় একা তাঁকেই দেখা যাচ্ছে মুর্শিদাবাদে। বাকিরা থমকে গিয়েছেন।

পঞ্চায়েতের প্রাক্কালে একে একে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন হরিহরপাড়ার বিধায়ক নিয়ামত শেখ, জলঙ্গির বিধায় আবদুর রেজ্জাক ও নওদার বিধায়ক শাহিনা মমতাজ। এরপর হুমায়ুনের ছেলে ও মমতাজের মেয়ের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। অন্য বিধায়করা রাস্তায় না নামলেও হুমায়ুন বিদ্রোহ জারি রাখেন। এখনও চলছে বিদ্রোহ।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+