গোষ্ঠী কোন্দলের জের! বড়ঞায় স্থায়ী সমিতির ভোটে হার তৃণমূলের
সোমবার মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী সমিতি গঠনের দিন ধার্য করা হয়েছিল। এই স্থায়ী সমিতি গঠনের দিয়ে তাকিয়ে ছিল গোটা জেলাবাসী, বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুলতানা খাতুন সহ অন্যান্য তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা সিপিআইএমের ভোট দেওয়ার পর ওয়াক আউট করেন।
বড়ঞা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি তথা সদ্য প্রাক্তন বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত এবং পরিবহন কর্মক্ষেত্রের নেতৃত্বে ৯ জন শাসকদলের জনপ্রতিনিধি ওয়াক আউট করলেন সোমবার সন্ধেয়। তার আগেই অবশ্য তৃণমূলের প্যানেলকে হারিয়ে বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির ৮ টি স্থায়ী সমিতি যে বিরোধীদের দখলে যাচ্ছে তা নিশ্চিত হয়ে যায়।

উল্লেখ করা প্রয়োজন ৩৮ টি আসনের মধ্যে ২১ টি আসন পেয়ে বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু সভাপতি কে হবেন, তা নিয়ে শুরু হওয়া গোষ্ঠী কোন্দল গড়ায় পঞ্চায়েতের স্থায়ী সমিতির নির্বাচনেও। স্থায়ী সমিতি নির্বাচনে তৃণমূলের একাংশ কংগ্রেস, সিপিআইএম এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মেলায়। এর ফলে মাত্র একটি স্থায়ী সমিতি তৃণমূল দখল করতে পারে।
সোমবার সকাল ১১ টা থেকে বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী সমিতির ভোটাভুটি শুরু হয় এবং নিজের দলেরই কিছু নেতৃত্ব বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতর পূর্ত এবং পরিবহন কর্মাধ্যক্ষ পদে দলের বিপক্ষে থেকে ভোট দেওয়ার ফলে সন্ধ্যা ৬. ২০ নাগাদ মাহে বাবুর নেতৃত্বে ৯ জন জনপ্রতিনিধি ওয়াক আউট করেন।
মাহে বাবুর বক্তব্য, খড়গ্রামের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক আশিস মার্জিত তৃণমূলের প্রার্থীকে ভোট দিলেও বিধায়কের উপস্থিতিতে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহ বেশ কয়েকজন শাসক দলের প্রার্থীদের ভোট না দিয়ে বিরোধীদের ভোট দেয়। তাই তারা স্থায়ী সমিতির ভোটাভুটি থেকে ওয়াক আউট করছেন। মাহে বাবুদের ওয়াক আউটের পর ফের ভোটাভুটি শুরু হয় পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী সমিতির অন্য কর্মাধ্যক্ষ পদের জন্য।












Click it and Unblock the Notifications