অর্থের বিনিময়ে সরকারি চাকরি! তৃণমূল বিধায়ককে তলব করল রাজ্য পুলিশই
খোদ তৃণমূল বিধায়ককেই তলব করল রাজ্য পুলিশ! তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহাকে তলব করল আর্থিক দুর্নীতি দমন শাখা। তেহট্টের বিধায়ক তাপসবাবু। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজ্য পুলিশের আর্থিক দমন শাখা'র তরফে একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জান
খোদ তৃণমূল বিধায়ককেই তলব করল রাজ্য পুলিশ! তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহাকে তলব করল আর্থিক দুর্নীতি দমন শাখা। তেহট্টের বিধায়ক তাপসবাবু। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজ্য পুলিশের আর্থিক দমন শাখা'র তরফে একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। আগামী মঙ্গলবার সকাল ১১ টার মধ্যে তৃণমূল বিধায়ককে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। তবে এই ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে শাসকদল।
যদিও এই বিষয়ে তৃণমূলের দাবি, পুলিশ-প্রশাসনকে তৃণমূল সরকার নিয়ন্ত্রণ করে না। আইন আইনের পথে চলবে। বিধায়ক হোক বা যে কেউ দোষ করলে কাউকেই ছাড়া হবে না তা আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এই অবস্থায় পুলিশ ব্যবস্থা নিলে কিছু বলার নেই বলে দাবি তৃণমূলের এক নেতার। যদিও স্থানীয় এক বিজেপি নেতার দাবি, দুর্নীতি যে কোথায় পৌঁছেছে সেটা প্রমাণ সামনে এসেছে।
টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ ছিল তেহট্টের এই বিধায়কের বিরুদ্ধে। প্রাথমিক-সহ বিভিন্ন সরকারি দফতরে চাকরির করিয়ে দেবেন বলেও অভিযোগ উঠেছিল। এজন্যে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়ারও অভিযোগ সামনে এসেছে বিধায়কের বিরুদ্ধে। এমনকি সরকার চাকরি দেওয়ার নামে দেড় কোটি টাকা তুলেছিলেন বলেও দাবি তদন্তকারী আধিকারিকদের।
ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এমনকি বিধায়ক তাপস সাহার আপ্ত সহায়ককেও এই মামলাতে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও বিধায়কের দাবি তিনি নাকি আপ্ত সহায়ককে চেনেননি না।
যদিও এক অভিযোগকারীর দাবি, সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে আপ্ত সহায়ক প্রবীর কয়ালকে টাকা দিয়েছিলেন। যদিও সেই সময় হাতেনাতে ধরা হয় তাঁকে। আর এরপরেই বিধায়কের নাম সামনে আসে। তিনিও সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে টাকা চেয়েছিলেন বলেও অভিযোগ অভিযোগকারীদের।
যদিও আপ্ত সহায়ক নিজে বিধায়কের নাম তদন্তকারীদের জানিয়েছেন বলে অভিযোগ। পু;লিশের দাবি, এই কেলেঙ্কারির জাল অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে। ফলে সুত্রে পৌঁছাতে বিধায়ককে জেরা করা প্রয়োজন। আর এরপরেই এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
যদিও নোটিস নিয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল বিধায়কের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে আগে বিধায়ক জানিয়েছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এমনকি মিথ্যা মামলাতে ফাঁসানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ। ইতিমধ্যে শিক্ষক নিয়োগ একের পর এক কেলেঙ্কারি সামনে এসেছে। প্রভাবশালীদের নাম সামনে এসেছে। আর এর মধ্যেই খোদ শাসকদলের বিধায়ককে তলব করল রাজ্য পুলিশের আর্থিক দমন শাখা।












Click it and Unblock the Notifications