‘অভিযুক্তের রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক, সে দুষ্কৃতী,' হাঁসখালিতে বললেন মহুয়া
হাঁসখালির ঘটনায় উত্তাল বাংলা। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে শাসকদল তৃণমূলের। যা নিয়ে আরও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর এই বিতর্কের মধ্যেই নদিয়ার হাঁসখালিতে নিহত নাবালিকার পরিবারের বাড়ি গেলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। আজ মঙ্গলবার
হাঁসখালির ঘটনায় উত্তাল বাংলা। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে শাসকদল তৃণমূলের। যা নিয়ে আরও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর এই বিতর্কের মধ্যেই নদিয়ার হাঁসখালিতে নিহত নাবালিকার পরিবারের বাড়ি গেলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। আজ মঙ্গলবার হঠাত করেই হাঁসখালি পৌঁছে যান তিনি।

বলে রাখা প্রয়োজন, আজ দুপুরেই নির্যাতিতা পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর তাঁর আগেই নির্যাতিতার বাড়িতে পৌঁছে যান তৃণমূল সাংসদ। দীর্ঘক্ষণ পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। এছাড়াও দলের জেলা নেতৃত্বের কাছেও পুরো ঘটনার বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন মহুয়া মৈত্র।
ঘটনার তীব্র নিন্দা করে তিনি বলেন, খুবই দুঃখজনক একট ঘটনা। ধিক্কার জানানোর ভাষা নেই। তবে দল বিষয়টি যথেষ্ট কড়া নজর দিয়েছে। কোনও অন্যায় মেনে নেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা তৃণমূল নেত্রীর।
তাঁর কথায়, ''অভিযুক্তের রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক, সে দুষ্কৃতী। পুলিশ ইতিমধ্যেই পকসো আইনে মামলা রুজু করেছে বলে জানিয়েছেন মহুয়া মৈত্র। একই সঙ্গে কে বা কারা পরিবারকে ভয় দেখিয়েছে সেটিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তবে হাঁসখালির ঘটনা মোটেই সহ্য হবে না বলে এদিন জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। অন্যদিকে এদিন মহুয়া মৈত্রের সঙ্গেই ঘটনাস্থলে যান রাজ্যের শিশু সুরক্ষা কমিশনের (কমিশন ফর প্রোটেকশন অব চাইল্ড রাইটস) চেয়ারপার্সন অনন্যা চক্রবর্তী। কীভাবে ঘটে তিনিও জানার চেষ্টা করেন।
উল্লেখ্য সোমবারই শিশু সুরক্ষা কমিশনকে এই বিষয়টি দেখার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। আর এরপরেই আজ মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে পৌঁছন চেয়ারপার্সন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে যে শশ্মানে পড়ানো হয় নির্যাতিতার দেহ সেখানেও যান তিনি। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদও।
অন্যদিকে এই ঘটনা যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে রাজ্য পুলিশ। ঘটনার পরেই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়। আদালতে তোলা হলে অভিযুক্তকে ১৪ দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। আর এরপর থেকেই দফায় দফায় জেরা করা শুরু হয় অভিযুক্তকে। ঠিক কি কারণে এই ঘটনা তা জানার চেষ্টা করেন রাজ্য পুলিশের তদন্তকারীরা।
শুধু তাই নয়, অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতার সঙ্গে আর কেউ ছিল কিনা সেটা জানারও চেষ্টা করা হয়। জানা যায়, দফায় দফায় জেরায় ভেঙে পড়ে অভিযুক্ত। আর বেশ কয়েকটি নাম জানায়। আর এরপরেই আজ মঙ্গলবার একজনকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গিয়েছে, ধৃত যুবক ঘটনায় মূল অভিযুক্তের বন্ধু।
অন্যদিকে ঘটনার পরেই মৃত ওই কিশোরীকে যে চিকিৎসক চিকিৎসা করেছেন তাঁকেও আজ দফায় দফায় জেরা করা হয়। ঠিক কি হয়েছিল এই বিষয়ে জেরা করা হয় তাঁকে। এমনটাই জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications