Panchayat Election 2023: তৃণমূল ২০ থেকে ২-এ নামিয়ে আনব, হুমায়ুনের হুঙ্কারে সিঁদুরে মেঘ অধীর-গড়ে
মুর্শিদাবাদের বুকে ২০২১-এ তৃণমূলের পত্তন হয়েছিল। তৃণমূল কংগ্রেস একাই ২০ আসনে জয়ী হয়েছিল জেলায় কংগ্রেসের আধিপত্য ও অধীর চৌধুরীর দাপট খর্ব করে। কংগ্রেস নেমে গেল একেবারে শূন্যে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে বিদ্রোহী বিধায়ক হুঙ্কার ছাড়লেন, আগামী দিনে তৃণমূলকে ২০ থেকে ২-এ নামিয়ে আনব।
পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামনে চলে আসে। চার বিধায়ক একজোট হয়ে অভিযোগ করেন, তাঁদেরকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব প্রার্থী মনোনয়ন করেছে। তাঁদের অনুগামী কাউকে প্রার্থীপদ দেওয়া হয়নি। ত নিয়েই কোন্দল চরমে ওঠে।

মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর অভিযোগ করেন, গোটা জেলাব্যাপী তৃণমূলের প্রতীক বিক্রি করেছেন জেলা সভানেত্রী শাওনি সিংহ রায়। এখানে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য তৃণমূল কর্মীদের বঞ্চিত করা হয়েছে। কার মদতে তিনি এটা করেছেন, তা জানা নেই।
মনোনয়ন পর্বের পর অন্য বিধায়করা থিতু হলেও হুমায়ুন কবীর একের পর এক বোমা ছুড়েই চলেছেন। জেলা সভানেত্রী-চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি থেকে, নির্দলের হয়ে প্রচার, তৃণমূলকে হারানোর অঙ্গীকার কিছুই বাকি রাখেননি তিনি। এদিন তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তৃণমূলকে এই জেলায় ২০ থেকে ২-এ নামিয়ে আনবেন তিনি।
হুমায়ুন কবীর বলেন, "বিজেপির কাছে পরাজিত হয়েও জেলা সভানেত্রী তাঁর মনের মতো টিকিট বিলি করেছেন। তাঁর ফল তিনি পাবেন, তৃণমূলও সেই ফল পাবে।" তিনি এদিন বলেন, শুধু আমি নই, তৃণমূলের এই টিকিট বণ্টনের সিস্টেমের বিরুদ্ধে আরো অন্যান্য বিধায়করাও গর্জে উঠেছেন।

হুমায়ুন বলেন, তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ইসলামপুরের বিধায়ক করিম চৌধুরী, বলাগড়ের বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী, মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন মোল্লা, তেহট্টের বিধায়ক তাপস সাহা। মুর্শিদাবাদের আরো অনেক বিধায়ক প্রতিবাদ করেছেন তৃণমূলের টিকিট বণ্টন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে।
তাই এবার জবাব দেওয়ার সময় এসেছে। তৃণমূল মুর্শিদাবাদে বেড়েছিল, কিন্তু এভাবে চললে মুর্শিদাবাদে তৃণমূল ২০ থেকে ২-এ নেমে যাবে। দায়িত্ব নিয়েই বলছি, তৃণমূলকে ২-এ নামানোর দায়িত্ব আমার। আর তাঁর এই হুঙ্কারের পাল্টা ফিরহাদ হাকিম জানান, রথ ভাবে আমি দেব, পথ ভাবে আমি, মূর্তি ভাবে আমি দেব, হাসেন অন্তর্যামী।
তিনি বলেন, আমরা কেউ নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল বলেই আমি ফিরহাদ হাকিম বা হুমায়ুন কবীর আজ বিধায়ক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরে গেনে আর বিধায়ক থাকবেন না, জনগণও থাকবে না আপনার পাশে। তাই ভেদাভেদ নয়, এখন এক হয়ে লড়ার সময়। হাতে হাত মিলিয়ে লড়াই করতে হবে, বিজেপিকে হারাতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications