কৃষ্ণনগরের ছাত্রী খুনের তদন্ত করুক সিবিআই, চাইছে পরিবার
লক্ষ্মীপুজোর দিন কৃষ্ণনগরের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর নির্মম পরিণতি। বৃহস্পতিবার ময়না তদন্ত চলছে ওই দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর মৃতদেহের। বুধবার সকাল থেকেই পরিস্থিতি যথেষ্ট উত্তপ্ত। পুলিশি তদন্তে খুব একটা ভরসা করতে পারছেন না মৃতার পরিবারের সদস্যরা। সিবিআই তদন্তের দাবি জানানো হচ্ছে পরিবারের তরফ থেকে।
কলকাতা হাইকোর্টে এই বিষয়ে পরিবারের তরফ থেকে আবেদন করা হতে পারে। এই কথাও শোনা গিয়েছে। রাজ্য পুলিশ ছাত্রী খুনের তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ছাত্রীর প্রেমিক ও তার পরিবারের সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু তারপরেও পুলিশের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে মৃতার পরিবারের সদস্যদের। তারা চাইছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এই ঘটনার তদন্ত করুক।

পুলিশ সুপারের দফতর, ডিএসপি ট্রাফিকের অফিস, জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের আবাসন। অর্থাৎ নিরাপত্তার দিক থেকে যথেষ্ট আঁটোসাটো ওই এলাকা। তারপরেও সেই এলাকারই এক পুজো মণ্ডপ থেকে এক তরুণীর মৃতদেহ পাওয়া গেল বুধবার সকালে। তাও আবার তরুণীর মৃতদেহ আধপোড়া। পোশাক আশাক অবিন্যস্ত। অভিযোগ গণধর্ষণের পর গায়ে আগুন দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা যে জায়গায় অত্যন্ত বেশি, সেখানে কী করে এই মৃত্যু! পুলিশ কি তাহলে সজাগ নয়? মৃতদেহ পুলিশের নজর এড়িয়ে সেখানে এল কীভাবে? সেই প্রশ্ন উঠছে।
সেখান থেকেই পুলিশের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে মৃতার পরিবারের সদস্যদের মনে। তারা চাইছেন না পুলিশ কোনও ভাবেই এই তদন্ত করুক। সঠিক বিচার পাওয়া যাবে না পুলিশ তদন্তে। এই কথাও মনে করছেন অনেকে। সেজন্য সিবিআই তদন্তের দাবি তুলছে মৃতার পরিবার।
আজ বৃহস্পতিবার কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে ময়নাতদন্ত চলছে। হাসপাতালে, পুলিশ মর্গে কড়া পাহারার ব্যবস্থা করা হয়। হাসপাতালের বাইরে সিপিএম, ডিওয়াইএফআই, মহিলা সংগঠনের কর্মী - সমর্থকরা উপস্থিত। তারা বিক্ষোভ দেখান এই ঘটনার। পুলিশ সব দিকেই নজর রাখছে। এদিন দুপুর পর্যন্ত হাসপাতাল চত্বরে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।












Click it and Unblock the Notifications