চিরকুট দেখিয়ে হাত বদল হত গরু, মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ-সুতি রুটে কীভাবে কেষ্টর হত গরুপাচার?

চিরকুট দেখিয়ে হাত বদল হত গরু, মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ-সুতি রুটে কীভাবে কেষ্টর হত গরুপাচার?

বীরভূমের হাট থেকে মুর্শিদাবাদের সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে গরুপাচার। পরতে পরতে লুকিয়ে রয়েছে রহস্য। চিরকুট লিখে পাচার করা হত গরু। মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ থেকে সুতি হয়ে বাংলাদেশে যেত গরুর পাল। আর এতটা পথ যাতে অনায়াসে যাতে পারে তার জন্য চিরকুটের ব্যবস্থা ছিল। তাতেই অনায়াসে চিহ্নিত হয়ে যেত গরুগুলি। এভাবেই রমরমিয়ে িনরাপদে চলত কেষ্টর গরুপাচার।

চিরকুট লিখে গরুপাচার

চিরকুট লিখে গরুপাচার

চিরকুট লিখে গরুপাচার করা হত মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য হতে এসেছে ইডির। কোন ব্যাচ কোন রুটে যাবে তার জন্য থাকত চিরকুট সিস্টেম। অর্থাৎ ছোট্ট একটা কাগজের টুকরোয় থাকত বিশেষ স্ট্যাম্প। সেই টিরকুট যাতে িনরাপদে এজেন্ট মারফত কাস্টমারের কাছে যায় তার জন্য এই কাগজের ব্যবহার করা হত। তার জন্য ২০ টাকা থেকে একশো টাকা রেট দেয়া হত এজেন্টদের। এজেন্ট দের হাতে থাকা এই সব চিরকুট দেখেই কোন রুটে কোন গরু পাচার হবে তা চিহ্নিত করা হয়।

বিএসএফকে মোটা টাকা

বিএসএফকে মোটা টাকা

মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ-সুতি সীমান্তকে গরুপাচারের সেফ করিডর হিসেবে ব্যবহার করা হত। সীমান্তে প্রহরারত বিএসএফ জওয়ান থেকে অফিসার সকলের টাকার ভাগ থাকত। গরু পিছু একশো টাকা করে পেতেন তাঁরা। কোথাও কোথাও আবার ক্রেেন সাহায্যে সীমান্তের ওপারে পাঠিয়ে দেওয়া হত গরু। কাকভোরেই এই সব ঘটনা ঘটােনা হত। তাতে পুলিশের বড় ভূমিকা ছিল। কোন পথে গরু পাচার হবে তার সব তথ্য থাকত পুলিশের হাতে। সেকারণেই রঘুনাথপুর এবং সুতি থানা সিবিআইয়ের ব়্যাডারে রয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছিলেন পুলিশের থানা গুলোর কাছে সব তথ্য থাকত। তার পরেও কোনো এক বিশেষ প্রভাবশালীর মদতে চুপ করে থাকতেন তাঁরা।

কোন রুটে গরু পাচার

কোন রুটে গরু পাচার

মূলত উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থান এবং বিহার থেকে রাজ্যে আসত গরুপাল। বঁাকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া ছিল রাজ্যে প্রবেশের পর গরুর পাচারের রুট। িবহার উত্তর প্রদেশ থেকে গরুর পাল বীরভূম হয়ে মুর্শিদাবাদে যেত। আবার বিহার থেকে গরুরপাল ইসলামপুর রায়গঞ্জ হয়ে রাজ্যে প্রবেশ করত। এবং মুর্শিদাবাদের রঘুনাথপুর, সুতি হয়ে বাংলাদেশে পাচার হত। আবার ইসলামপুর থেকে অসমে পাচার হত গরু। এছাড়া পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে ঝাড়গ্রাম হয়ে উত্তর ২৪ পরগনায় যেত গরু। গোটা রুটেই ঢাল হিসেবে কাজ করত এই চিরকুট।

গরুপাচারের কমিশন

গরুপাচারের কমিশন

গরুপাচারের িনরাপদ রুট তৈরি করে দিতে কেষ্টর বড় ভূমিকা ছিল। তার জন্য মোটা টাকা কমিশন পেতেন অনুব্রত মণ্ডল। সেই কমিশনের টাকাতেই ফুলে ফেঁপে উঠেছিল কেষ্টর সম্পত্তি। রকেট গতিতে বেড়েছে কেষ্টর সম্পত্তির পরিমাণ। নামে বেনামে একাধিক সম্পত্তি কিনেছিলেন তিিন। জমি, রাইসমিল। পাথর ক্র্যাশার থেকে শুরু করে একাধিক বাড়ি ফ্ল্যাট রয়েছে কেষ্ট এবং তাঁর পরিবারের নামে। কেষ্টর সেই বেনামি সম্পত্তির হদিশ পেতেই এবার বোলপুরে জমি রেজিস্ট্রির অফিসে হানা দিয়েছে সিবিআই।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+