তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তাল বড়ঞা! প্রহৃত খোদ রাজ্যের মন্ত্রী, মারধর থেকে বাদ পড়লেন না বিধায়কও
তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তাল বড়ঞা! মন্ত্রী সুব্রত সাহা ও বড়ঞা তৃণমূল বিধায়কের গাড়ি ভাংচুর ও মারধরের অভিযোগ যুব তৃণমূল সভাপতি মায়ের আলম ও ব্লক সভাপতি গোলাম মুশেদ বিরুদ্ধে। দিন কয়েক আগে পত দুর্ঘটনায় একই পরিবার পাঁ
শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দল ঘিরে রণক্ষেত্র মুর্শিদাবাদের বড়ঞা। আর এই গোষ্ঠী কোন্দলে পড়ে আক্রান্ত হতে হল খোদ রাজ্যের মন্ত্রীকে। জানা যাচ্ছে, মন্ত্রী সুব্রত সাহাকে মারধর করা হয়। শুধু তাই নয়, তাঁর গাড়িও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ।

শুধু মন্ত্রীকেই নয়, স্থানীয় বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকেও মারধর করা হয়। ঘটনায় গুরুতর অবস্থাতে দুজনকেই স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু সুব্রত সাহার অবস্থা কিছুটা গুরুতর হওয়াতে তাঁকে মুর্শিদাবাদ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে কার্যত রনক্ষেত্র আকার নেয়। বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনাতে রীতিমত অস্বস্তিতে তৃণমূল শিবির। তবে ঘটনার প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে স্থানীয় বড়ঞা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা।
যদিও ঘটনার পরেই ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ। জানা যাচ্ছে, রাজ্যে মন্ত্রীর উপর হামলার ঘটনাতে এখনও পর্যন্ত ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার তদন্তে বড়ঞা থানার পুলিশ।
জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন আগে বর্ধমানের নতুনহাট এলাকায় ভয়াবহ একটি পথদুর্ঘটনা ঘটে। আর সেই ঘটনাতে একই পরিবারের ছয়জনের মৃত্যু হয়। আর সেই পরিবার বড়ঞা থানার সৈয়দপাড়া এলাকায় বসবাস করেন। ঘটনার খবর পেয়েই আজ বুধবার সাগরদিঘির বিধায়ক তথা মন্ত্রী সুব্রত সাহা এবং স্থানীয় বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ-সহ তৃণমূলের কয়েক জন নেতা
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে যান। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এবং সমবেদনা প্রকাশ করতেই সেখানে জান তাঁরা। প্রায় ঘন্টাখানেক সেখানে কাটানোর পর বাড়ি থেকে বের হওয়া মাত্র বেশ কয়েকজন হথাত করেই তাঁদের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। মারধর করা হয় রাজ্যের মন্ত্রী এবং এলাকার বিধায়ককেও।
শুধু তাই নয়। তাদের গাড়ি পর্যন্ত ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুহূর্তে রনক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা।
মন্ত্রী সুব্রত সাহা ও বড়ঞা তৃণমূল বিধায়কের গাড়ি ভাংচুর ও মারধরের অভিযোগ যুব তৃণমূল সভাপতি মায়ের আলম ও ব্লক সভাপতি গোলাম মুশেদ বিরুদ্ধে। খোদ দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধেই অভিযোগ। যা নিয়ে ফের একবার প্রকাশ্যে চলে এল তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। এই ঘটনায় একেবারে স্পিকটি নট জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কলকাতা শীর্ষ নেতৃত্ব। কি কারনে এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications