অধীর গড়ে খেলা ঘোরাল তৃণমূল! মুর্শিদাবাদের প্রভাবশালী বিজেপি নেত্রীকে ছিনিয়ে মাস্টারস্ট্রোক শাসকের
বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে একের পর এক ধাক্কা বিজেপিতে। ভোট মিটতেই প্রথম দল ছেড়েছেন মুকুল রায়। শোনা যায়, ইতিমধ্যে তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে তাঁর সঙ্গে নাকি যোগাযোগ করেছেন অনেকে। সেই তালিকাতে নাকি একাধিক বিধায়ক এবং বেশ কয়েকজন প্
বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে একের পর এক ধাক্কা বিজেপিতে। ভোট মিটতেই প্রথম দল ছেড়েছেন মুকুল রায়। শোনা যায়, ইতিমধ্যে তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে তাঁর সঙ্গে নাকি যোগাযোগ করেছেন অনেকে। সেই তালিকাতে নাকি একাধিক বিধায়ক এবং বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও আছেন। কিন্তু ঠিক কবে তাঁরা তৃণমূলে যোগ দেবেন সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

তবে এই জল্পনার মধ্যেই ক্রমশ ভাঙন ধরছে বিজেপিতে। জেলার একাধিক জায়গাতে একের পর এক ভাঙন। শুধু তাই নয়, হাতছাড়া হচ্ছে বিজেপির হাতে থাকা পঞ্চায়েতগুলিও। আর এই অবস্থার মধ্যেই এবার দল ছাড়লেন খোদ বিজেপি প্রার্থী।
গত বিধানসভায় রানীনগরের বিজেপি হয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন মাসুয়ারা খাতুন। এবার তিনি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রানীনগরের আইএস এফ প্রার্থী সেলিম রেজাও শাসক শিবিরে যোগ দিয়েয়েছেন। যা অবশ্যই বড় ধাক্কা বিজেপির কাছে।
বাংলাতে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েছিল বিজেপির সংগঠন। বুথ লেভেল সংগঠন এখনও তৈরি হয়নি। কিন্তু মানুষ নাকি তাঁদের পাশে আছে। আর এই বিশ্বাসে ভর করেই মানুষ এবার বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেছে। কিন্তু মুখ থুবড়ে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি! আর এরপর থেকেই ভাঙন শুরু হয়েছে। মাসুয়ারা জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে সামিল হতেই তিনি বিজেপি ছেড়েছেন।
শুধু তাই নয়, বিজেপি সাম্প্রদায়িক দল। সাম্প্রদায়িক নীতি থেকে তাঁরা বের হতে পারছে না। আর সেই কারণেই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন প্রাক্তন বিজেপি নেত্রী। যদিও বিজেপির পাল্টা অভিযোগ তৃণমূল চাপ দিয়ে দলে যোগদান করিয়েছে মাসুয়ারা খাতুনকে।
তবে তৃণমূলের তরফে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হিয়েছে। তাঁদের পাল্টা দাবি, বিজেপি কি দুল সেটা এখন সবাই বুঝতে পারছে। কর্মীদের জিগ্য সম্মান দেয় না। আর সেই কারণে দলে দলে বিজেপি ছেড়ে লোকজন তৃণমূলে যোগ দিচ্ছে বলে দাবি নেতৃত্বের।
উল্লেখ্য, মুকুল রায় তৃণমূলে ফেরার পর থেকেই সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। তিনি তৃণমূলে এসেই ফোন করেছেন বিজেপির বিধায়ক-সাংসদদের। বেছে বেছে অনেককেই ফোন করেছেন তিনি। তা নিয়ে জল্পনার মাঝেই আবার ৩০-৩৫ জনের নামের তালিকা নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে গেল। কে কে আসতে পারেন মুকুলের সঙ্গে, তা নিয়েই আলোচনা দু-দলের অন্দরে। তবে এখন তৃণমূলের নজরে ত্রিপুরা।
সেখানে সংগঠনকে মজবুত করতে মরিয়া শাসক। গত কয়েকদিন আগে অভিষেকের সঙ্গে দেখা করে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন দীর্ঘদিনের কংগ্রেস নেত্রী সুস্মিতা দেব। তাঁর হাত দরে সে রাজ্যে সংগঠনকে আরও মজবুত করতে চলেছে শাসক।












Click it and Unblock the Notifications