Beldanga Clash: দোকান-বাড়িতে আগুন, সংঘর্ষের রাত পেরিয়ে সকাল থেকে থমথমে বেলডাঙা; গ্রেফতার ১৫
Beldanga Clash: দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। শনিবার কার্তিক পুজোর (Kartik Puja Clash) রাতে এলাকায় একাধিক বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন (Set on Fire) ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এলাকায় বোমাবাজি (Bombing) চলে বলেও অভিযোগ।
সূত্রের খবর, বেলডাঙার একটি কার্তিক পুজোর মণ্ডপে আপত্তিজনক পোস্টার (Objectionable Poster) ঘিরেই সংঘর্ষ দানা বাঁধে বলে অভিযোগ। পোস্টারে ধর্মীয় উসকানিমূলক কিছু লেখা ছিল বলে দাবি। এরপরই দুই গোষ্ঠী জড়ো হয় ও একে অপরের দিকে পাথর ছোড়া শুরু করে।

সংঘর্ষে পুলিশের গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা গিয়েছে। সংলগ্ন এলাকা কাজিসাহা ও বেগুনবাড়িতেও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে বলে দাবি। উত্তেজিত জনতাকে সরাতে পুলিশ প্রথমে লাঠিচার্জ শুরু করে। মাইকিং করে দুই পক্ষকেই সংযত থাকার বার্তা দেওয়া হয়।
এটা বাংলাদেশ নয়। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। কার্তিক পুজোকে কেন্দ্র করে হিন্দুদের আক্রমণ করা হলো । পুলিশ নীরব দর্শক। প্রতি পুজোর সময় এক ঘটনা। এরাজ্য হিন্দুদের বধ্যভূমি হয়ে উঠছে।
— Agnimitra Paul BJP (@paulagnimitra1) November 17, 2024
নিজের ভোট ব্যাঙ্কের স্বার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন।@MamataOfficial pic.twitter.com/ZTaZYeQbOv
এরপর পরিস্থিতি বাগে আনতে সেখানে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা (Section 163) প্রয়োগ করে পুলিশ। ৫ জনের বেশি জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে পুলিশ। জেলার এক শীর্ষ পুলিশকর্তা জানান, আহতের সংখ্যা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এখনও পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তদের অনেকের হাতেই ধারালো অস্ত্র ছিল। সংঘর্ষের জেরে তাই অনেকে জখমও হয়েছেন। রাত থেকে বেশ কয়েকজনের খোঁজও মিলছে না বলে চিন্তায় পরিবার। সংঘর্ষ আটকাতে দফায় দফায় মাইকিং করছে পুলিশ। আইন হাতে তুলে না নিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে অনুরোধ জেলা পুলিশ সুপার সূর্যপ্রতাপ যাদবের। ঘটনাস্থলে গিয়ে মাইকিং করে বার্তা এসপির।
এদিকে বেলডাঙায় উসকানির জেরে কার্তিক পুজোর রাতে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ নিয়ে রাজ্য পুলিশকে দুষেছে বিজেপি। যুবমোর্চার রাজ্য সহ সভাপতি তরুণজ্যোতি তিওয়ারির দাবি,"পূর্ব পরিকল্পিত ঘটনা। নেপথ্যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে। গোটা ঘটনায় এনআইএ-র তদন্ত করা উচিত।"
শনিবার রাতে সংঘর্ষের জেরে বেলডাঙা স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়েছিল ভাগীরথী এক্সপ্রেস। রবিবার সকাল থেকেই থমথমে পরিস্থিতি বেলডাঙায়। পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি পুলিশের। গুজব আটকাতে বন্ধ রাখা হয় ইন্টারনেটও। এলাকাজুড়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications