সত্যিই তৃণমূলে যোগদানের চাপ ছিল? সাগরদিঘিতে পা রেখেই 'ফাঁস' করলেন বায়রন
সংঘাত অতীত! তৃণমূলে যোগদানের পরেই সাগরদিঘীতে সম্বর্ধনা দিল তৃণমূল। গত কয়েকদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সাগরদিঘী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে যাবতীয় জল্পনা।
আর এর মধ্যেই আজ হস্পতিবার বিকেলে সাগরদিঘীতে পা রাখেন বায়রন। আগে থেকেই জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সম্বর্ধনার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই মতো সাগরদিঘীতে পৌঁছতেই সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জঙ্গিপুর সাংসদ খলিলুর রহমান, নবগ্রাম বিধায়ক কানাই চন্দ্র মন্ডল সহ একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব।

তৃণমূলে যোগদানের পর থেকেই বায়রনকে নিয়ে যাবতীয় চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য-রাজনীতি। ভয় এবং চাপ দিয়ে নাকি তৃণমূল যোগ দেওয়ানো হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েই বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস জানিয়েছেন, তৃণমূলে থেকেই একমাত্র কাজ করা সম্ভব। তবে আমি স্ব-ইচ্ছায় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছি। এমনকি তাঁর উপর কোনও মানসিক চাপ ছিল না বলেও মন্তব্য করেছেন বায়রন।
এমনকি কোনও প্রলোভন কিংবা লোভেও তৃণমূলে যোগ দেয়নি বলেও এদিন জানিয়েছেন তিনি। তবে আগামিদিনে সাগরদিঘিতে যে উন্নয়নই মুল লক্ষ্য তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন বায়রন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী দিনে রাস্তাঘাট থেকে পানীয় জল, সার্বিক উন্নয়নই মুল লক্ষ্য।
তবে বায়রন তৃণমূলে যোগদানের পর থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছে সেখানকার কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা। এলাকার মানুষের সঙ্গে বায়রন বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন বলেও অভিযোগ। এমনকি তৃণমূলে যোগদানের পরেই সেখানে বায়রনের যাবতীয় পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।

এমনকি ছবিতে আগুন লাগিয়েও বিক্ষোভ দেখিয়েছেন স্থানীয় কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা। এই অবস্থায় হামলা আশঙ্কা করেছেন বায়রন। সাগরদিঘিতে পা রাখলে তাঁর উপর হামলা হতে পারে বলে বলে আশঙ্কা করেছিলেন তিনি।
আর এরপরেই বিধায়কের বাড়ি এবং দেহরক্ষীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। উল্লেখ্য, সোমবার ঘাটালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে জয় দেন বায়রন। তাঁর যোগদানের পরেই কার্যত মুখ থুবড়ে পড়ে বাম-কংগ্রেসের সাগরদিঘি মডেল। যা রাজ্য-রাজনীতিতে রীতিমত প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছিল বর্তমান সময়ে।












Click it and Unblock the Notifications