সাগরদিঘির হারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ! মমতার দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক অধীরের

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাগরদিঘির হার মেনে নিতে পারছেন না। তাই প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে চাইছেন সাগরদিঘির মানুষের সঙ্গে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেন, সাগরদিঘি হারের পর সাধারণ মানুষের সঙ্গে দ্বিচারিতা করা হচ্ছে।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, সাগরদিঘি উপনির্বাচনে মানুষের দোয়া ও আশীর্বাদে ঐতিহাসিক জয় হাসিল করেছে কংগ্রেস। সেই জয়কে সাগরদিঘি সর্বস্তরের মানুষ মেনে নিলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মেনে নিতে পারছেন না। তাঁর কাছে কাঁটার মতো বিঁধছে সাগরদিঘি উপনির্বাচনে কংগ্রেসের কাছে তৃণৃমূলের পরাজয়।

সাগরদিঘির হারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ! দ্বিচারিতায় অভিযোগ

অধীর অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাগরদিঘির পরাজয়কে মেনে নিতে পারেননি। তাই সাগরদিঘির মানুষের সঙ্গে ধর্ম যুদ্ধ শুরু করেছেন তিনি। সাগরদিঘির মা-বোনেদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের বলা হচ্ছে কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছেন, তাই মিলবে না পরিষেবা।

কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার অপরাধে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ। বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আগামীদিনে আরও কিছু বন্ধ হবে। এ প্রসঙ্গে অধীর চৌধুরী বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আমরা বলতে চাই, পবিত্র রমজানের মাসে তাদের অধিকার কেড়ে নিয়ে যে প্রতিশোধের রাজনীতি করতে চাইছেন, কংগ্রেস তা মেনে নেবে না।

সাগরদিঘির হারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ!

অধীর চৌধুরী সাফ জানিয়ে দেন, কংগ্রেস প্রতিবাদের রাস্তা থেকে সরবে না। সাধারণ মানুষের করের টাকাতে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দিচ্ছে রাজ্য সরকার কেউ কারো কাছে ভিক্ষা নিচ্ছে না। মানুষের সেই অধিকারকে কী করে আদায় করতে হয়, কংগ্রেস তা জানে। কংগ্রেস মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবে।

অধীর চৌধুরী বলেন, আপনি সারা বাংলায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে টাকা দেবেন আর সাগরদিঘিতে তৃণমূল পরাজিত হয়েছে বলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেবেন না, তা চলবে না। আমরা তা মেনে নেব না। খুব শীঘ্রই সাগরদিঘির বুকে বড়ো আন্দোলনে নামা হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের এই প্রতিহিংসার রাজনীতির বিরুদ্ধে কংগ্রেস আন্দোলনে শামিল হবে।

সাংবাদিক বৈঠকে অধীর

কংগ্রেস সাংসদ তথা প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরী বহরমপুরে এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। তাদের জাতীয় তকমা চলে গিয়েচে। এবার ধীরে ধীরে রাজ্য দলের স্বীকৃতিও হারাবে। তার কারণ পশ্চিমবঙ্গের সরকার এখন আর মানুষের দাবি শুনতে চায় না।

অধীরের ব্যাখ্যায়, তৃণমূল কংগ্রেস আসলে একটি বিবেকহীন, সহানুভূতিহীন সরকার। তাই তো সুবিচারের জন্য মানুষ হাহাকার করছে রাজ্যে। এমনকী বিচারের জন্য যন্তর-মন্তরে পর্যন্ত গিয়েছেন সরকারি কর্মীরা। এ প্রসঙ্গেই তিনি কটাক্ষ করেন, দিদি বাংলার বঞ্চনার জন্য কলকাতা পর্যন্ত আন্দোলন করে কেন থেমে গেলেন?

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+