অপদার্থ-অযোগ্য নিজেই স্বীকার করেছেন! নাটুকে মুখ্যমন্ত্রী এবার দেবেন বোমাশ্রী, মমতাকে তীব্র আক্রমণ অধীরের
মুখ্যমন্ত্রী নাটক করছেন। বেআইনি বাজি কারখানা ধরতে পারলে রাজ্য সরকার পুরস্কার দেবে। এগরার খাদিকুলে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মন্তব্য প্রসঙ্গে এমনটাই প্রতিক্রিয়া প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর। দিদির কথা আর কাজে ফারাক উত্তর মেরু আর দক্ষিণ মেরুর মতো, এমনই কটাক্ষ করেছেন তিনি।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেছেন, সব নাটক চলছে। পশ্চিমবঙ্গে আজকে নাটক চলছে। দেখুন বাংলার মানুষ, দিদি এক নাট্যকার। আর তার কাছে যারা থাকে তারাও বড়বড় নাট্যকার। তিনি বলেন, পুলিশকে অধিকার দেওয়া হলে আর সরকার হস্তক্ষেপ না করলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবে না।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন মুখ্যমন্ত্রী একদিকে দেখাতে চাইছেন, সরকার কতটা সতর্ক। অন্যদিকে তাঁর দলেরই পঞ্চায়েত প্রধান লাইসেন্স দিচ্ছেন বোমা বানানোর জন্য। তিনি বলেন, আগামী দিনে যে যত বোমা বানাতে পারবে, তাকে বোমাশ্রী পুরস্কার দেবে সরকার।
মুখ্যমন্ত্রী এগরা বিস্ফোরণের পরে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে গিয়েছেন এদিন। এব্যাপারে অধীর চৌধুরী বলেন, বাংলার তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বারো বছর সরকারে রয়েছেন, তার বর্ষপূর্তি পালন হচ্ছে। এতদিনে যদি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর চোখ খুলেছে। তাহলে তিনি নিজেই স্বীকার করছেন তিনি অপদার্থ অযোগ্য, তার চোখ খুলতে ১২ বছর সময় লেগে গেল।
অধীর বলেন, সবাই জানে, মুখ্যমন্ত্রী যখনই বিপদে পড়েন, তখনই বলেন ভুল হয়েছে। আর তারপরেই তিনি উল্টো যান। কাজ এবং কথা দুটোতেই ফারাক। মুখ্যমন্ত্রীর এই সব কথার কোনও মূল্য বাংলায় টেকে না। তিনি অভিযোগ করেছেন, এই বাংলায় সব থেকে বেশি বোমা বিস্ফোরণ, জিলেটিন-ডিনামাইন, বোমা-গুলি-পিস্তল-ধর্ষণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে বেশি হয়েছে।
তিনি বলেছেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আজ মানুষের প্রতিবাদের চাপে পড়ে নতুন করে সান্তনা বাণী ছড়াতে গিয়েছেন। তিনি খোকাবাবুর প্রোগ্রাম করতে গিয়েছেন, এগরায় তো তিনি যাননি, বহরমপুরে এমনই মন্তব্য করেছেন অধীর চৌধুরী।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর ওপর হামলা প্রসঙ্গে অধীর চৌধুরী বলেন, নির্বাচনে সবাই তাদেরকে ভোট দেবে, তেমন কোনও ব্যাপার নেই। পশ্চিমবঙ্গের খোকাবাবু ভূমিকা হচ্ছে, যারা ভোট দেয়নি তাদের কথা ভেবে লাভ কী? আজ কুড়মি সমাজ ভোট দিয়েছে কি দেয়নি? সেটা কুড়মি সমাজের ব্যাপার। একটা সমাজকে ওইভাবে আক্রমণ করা ঠিক নয়, বলেন তিনি।
পাশাপাশি কুড়মি সমাজের দাবিটা কী এটা জানা দরকার। ওই দাবির একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট রয়েছে। এতদিন কুড়মিরা এখানকার ট্রাইবাল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে যেত। ওখানে যাঁরা আদিবাসী বলতে বোঝায় সাঁওতাল বা অন্য কিছু তাঁরা চায় না কুড়মিদের ট্রাইবাল মর্যাদা দেওয়া হোক। রাজ্যের উচিত সকলের সঙ্গে আলোচনায় বসে সমস্যার সমাধান করা।












Click it and Unblock the Notifications