অধীর চৌধুরীর চালেই মাত তৃণমূল! মুর্শিদাবাদের ঘাসফুল শিবিরে এখন অবিশ্বাসের ছায়া, বিস্ফোরক বিধায়ক

অধীর চৌধুরীর চালেই মাত তৃণমূল! মুর্শিদাবাদের ঘাসফুল শিবিরে এখন অবিশ্বাসের ছায়া, বিস্ফোরক বিধায়ক

মুর্শিদাবাদ অধীর চৌধুরীর (Adhir Chowdhury) জেলা বলে পরিচিত হলেও এবারের নির্বাচনে সাফ হয়ে গিয়েছে কংগ্রেস (Congress)। সেখানকার ২২ টি আসনের মধ্যে ২০ টি তৃণমূলের (Trinamool Congress) দখলে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) চ্যালেঞ্জ পরের লোকসভা ভোটে বহরমপুর (Bahramour) থেকে অধীর চৌধুরীকে হারাবেন। কিন্তু তারই মধ্যে অধীর চৌধুরীর চালেই মুর্শিদাবাদ তৃণমূল শিবিরে অবিশ্বাসের (disbelief) ছায়া। তৃণমূল শিবিরের অবিশ্বাস প্রকাশ হয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

অধীর চৌধুরীর চাপেই নির্বাচনে দাঁড়ান জইদুর

অধীর চৌধুরীর চাপেই নির্বাচনে দাঁড়ান জইদুর

গত ৩০ সেপ্টেম্বরের নির্বাচনে সামসেরগঞ্জ থেকে পরাজিত হয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী জইদুর রহমান। তিনি নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকতে না চাইলেও, একরকম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর চাপেই নির্বাচনে দাঁড়ান। সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়ার মাত্র সাতদিন প্রচারের সময় পেয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী। কিন্তু জইদুর রহমানকে এই কেন্দ্রে লড়াইয়ে রাজি করিয়ে অধীর চৌধুরী একরকম তৃণমূল শিবিরে অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি করেছিলেন। কেননা জেলা তৃণমূল সভাপতি খলিলুর রহমান সম্পর্কে জইদুর রহমানের ভাই। যা এখনও সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলের কাছে দগদগে ঘায়ের মতো। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা প্রয়োজন মুর্শিদাবাদে এখন তৃণমূল নেতৃত্বে যাঁরাই রয়েছেন, সে খলিলুর রহমান হোন কিংবা আবু তাহের খান, এঁরা সবাই একটা সময় অধীর চৌধুরীর অনুগত ছিলেন। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে এখন তাঁরা সবাই অধীর চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী।

দুটি বুথের ফল নিয়ে যত অবিশ্বাস

দুটি বুথের ফল নিয়ে যত অবিশ্বাস

তৃণমূল সামসেরগঞ্জ থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করলেও দুটি বুথের ফল নিয়েই যত সমস্যা তৈরি হয়েছে। যা নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় যাবতীয় প্রশ্ন। খলিলুর রহমানের নিজের বুথ সামসেরগঞ্জের ৭২ নম্বর বুথে তৃণমূল ভোট পেয়েছে মাত্র ৭২ টি আর তার পাশের ৭৫ নম্বর বুথে তৃণমূল পেয়েছ মাত্র ৮৩ টি ভোট। যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, এই কেন্দ্রের জয়ী তৃণমূল বিধায়ক আমিরুল ইসলাম।

বিধায়কের অভিযোগ

বিধায়কের অভিযোগ

সামশেরগঞ্জের নবনির্বাচিত বিধায়ক আমিরুল ইসলাম প্রকাশ্যে অভিযোগ করছেন, এবারের নির্বাচনে তাঁকে হারাতে তৃণমূলের সাংসদ তথা জেলা সভাপতি খলিলুর রহমান এবং তাঁর পরিবার কাজ করে গিয়েছেন। তা সে ভোটের প্রচারেই হোক কিংবা ভোটগণনার দিন, সর্বত্রই একই ছবি দেখা গিয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, পুরো পরিবারের কেউ এবং নূর বিড়ির কোনও কর্মীই এবং তাদের পরিবার তৃণমূলকে কোনও ভোট দেয়নি। তা ফলাফলেই প্রকাশ হয়ে পড়েছে। নির্দিষ্টভাবে তিনি বলেছেন, খলিলুর রহমানের ছেলে, আপ্ত সহায়ক এবং তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়া টিমের সবাই তৃণমূলের বিরুদ্ধে কাজ করেছে। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন খলিলুর রহমান।

বিজয়া সম্মিলনীতে আড়াআড়ি বিভাজন

বিজয়া সম্মিলনীতে আড়াআড়ি বিভাজন

বিপুল জয়ের পরেও মুর্শিদাবাদ তৃণমূলে আড়াআড়ি বিভাজন স্পষ্ট হয়ে যায় খলিলুর রহমানের ডাকা বিজয়া সম্মিলনীতে। সাংসদ তথা জেলা সভাপতি খলিলুর রহমান বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করেছিলেন তাঁর নিজের বাড়িতে। ২ মন্ত্রী সমেত ২০ জন বিধায়ক এবং ৩ সাংসদের মধ্যে মাত্র ৫ জন সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। যাঁরা সেই বিজয়া সম্মিলনীতে সামসেরগঞ্জের নবনির্বাচিত বিধায়ক আমিরুল ইসলাম ছাড়াও যাঁরা অনুপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী তথা রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জমান, সাগরদিঘির বিধায়ক সুব্রত সাহা, সুতির বিধায়ক ইমানি বিশ্বাস, খড়গ্রামের বিধায়ক আশিস মার্জিত, জেলার সাংগঠনিক চেয়ারম্যান তথা সাংসদ আবু তাহের খান, শাওনি সিংহ রায় এবং হাবিব পারভেজ টনি।

খবরের ডেইলি ডোজ, কলকাতা, বাংলা, দেশ-বিদেশ, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা, ব্যবসা, জ্যোতিষ - সব আপডেট দেখুন বাংলায়। ডাউনলোড Bengali Oneindia

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+