খেলা তো এখনও শুরুই হয়নি, বিজেপিশাসিত সমস্ত রাজ্যে জোড়াফুল প্রতিষ্ঠা করব! হুঁশিয়ারি অভিষেকের
আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে ত্রিপুরা দখল টার্গেট তৃণমূল কংগ্রেসের। আর সেই লক্ষ্যেই প্রতিবেশী রাজ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছে দল। ত্রিপুরার মাটিতে সাংগঠনিক ভাবে নিজেদের জায়গাকে শক্ত করছে তৃণমূল। মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন একাধিক বাংলার ন
আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে ত্রিপুরা দখল টার্গেট তৃণমূল কংগ্রেসের। আর সেই লক্ষ্যেই প্রতিবেশী রাজ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছে দল। ত্রিপুরার মাটিতে সাংগঠনিক ভাবে নিজেদের জায়গাকে শক্ত করছে তৃণমূল। মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন একাধিক বাংলার নেতা-নেত্রীরা।

এই অবস্থায় বাংলা থেকেই ত্রিপুরা দখলের হুঁশিয়ারি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। এর আগে ত্রিপুরা দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিপ্লব দেবের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেই সে রাজ্যের মানুষ তৃণমূলকে ভোট দেবেন বলেই মন্তব্য করেছিলেন তিনি। এবার সেই হুঁশিয়ারি শোনা গেল অভিষেকের মুখেও।
বাংলায় ফের একবার ভোটের দামামা। গত বিধানসভা নির্বাচনে করোনার কারনে ভোট করানো যায়নি সামসেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুর। এই দুই কেন্দ্রেই প্রার্থী মৃত্যু হয় করোনাতে আক্রান্ত হয়ে। এরপর স্থগিত হয়ে যায়। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভোট রয়েছে সেখানে। ভোট হবে ভবানীপুরেও। টাফ ফাইট।
তবে এই তিন কেন্দ্রেই তৃণমূল বিপুল ভোটে হয় পাবে বলে আত্মবিশ্বাসী নেতৃত্ব। কিন্তু এরপরেই আজ বৃহস্পতিবার এই দুই কেন্দ্রে ছুটে গিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা বিধিকে মাথায় রেখেই সভা করেন তিনি। আর সেখান থেকে একযোগে সিপিএম এবং কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়েছেন অভিষেক। শুধু তাই নয়, বিজেপি ইস্যুতে রীতিমত আক্রমণাত্বক হয়ে ওঠেন তিনি।
আর তা বলতে গিয়েই ত্রিপুরা প্রসঙ্গ উঠে আসে অভিষেকের কথাতে। তিনি বলেন, খেলা তো এখনও কিছুই শুরু হয়নি। যখন শুরু হবে সামলাতে পারবে না ওরা। না থেমেই ডায়মন্ডহারবারের এই সাংসদ বলেন, তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছি কয়েকমাস হয়েছে। ত্রিপুরাতে তৃণমূলের সংগঠন তৈরি হয়ে গিয়েছে।
সে রাজ্যে তৃণমূল সরকার গড়বে বলে আত্মবিশ্বাসী অভিষেক। তাঁর মতে, তিনি যাতে ত্রিপুরাতে পা না রাখতে পারেন সেজন্যে ১৪৪ ধারা জারি করেছে বিপ্লব দেবের প্রশাসন। কেন এত ভয়? প্রশ্ন অভিষেকের। এজেন্সি থেকে শুরু করে এত টাকা থাকা স্বত্বেও ভয় পাচ্ছেন কেন তৃণমূলকে? সামসেরগঞ্জের প্রচার মঞ্চ থেকেই অভিষেকের হুঁশিয়ারি, যেখানে যেখানে বিজেপি সরকার আছে, সেই রাজ্যগুলিতে গিয়ে জোড়াফুল প্রতিষ্ঠা করব।
উল্লেখ্য, ত্রিপুরাতে মহামিছিল করার কথা ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দুদুবার মহামিছিলের অনুমতি চেয়েও ত্রিপুরা প্রশাসন তা বাতিল করে। যা নিয়ে ত্রিপুরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। সেই সংক্রান্ত মামলাতে বিপ্লব দেবের সরকার আদালতে জানায়, করোনার কারনে উৎসব পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। সেই কারনে কোনও জমায়েত করা যাবে না। যদিও এই মামলাতে হাইকোর্ট কোনও হস্তক্ষেপ করতে চায়নি।
রাজ্যের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে জানায় ত্রিপুরা হাইকোর্ট। আর এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের দাবি, ত্রিপুরার মাটিতে তৃণমূলের জায়গা শক্ত হতেই ভয় পেয়েছে বিপ্লব দেবের সরকার। আর সেই কারনে অভিষেককে মহামিছিল বন্ধ করতে উঠে পড়েছে লেগেছে। আজ সেই বিষয়টিকে তুলে এনে আরও একবার বিপ্লব দেবের সরকারকে আক্রমণ অভিষেকের।












Click it and Unblock the Notifications