WFI: রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নিয়ে প্রবল ক্ষুব্ধ বিশ্ব কুস্তি সংস্থা, ফের নির্বাসিত হবে ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশন?
সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় কুস্তিতে সাফল্য কম বিতর্ক বেশি। ২০২৩ সালের শুরু থেকেই ভারতীয় কুস্তি বিতর্কে জেরবার। অলিম্পিক্সের মঞ্চে প্রত্যাশা অনুসারে সাফল্য আসেনি। এবার ফের একবার ইউনাইটেড ওয়ার্ল্ড রেসলিং (UWW) সতর্ক বার্তা পাঠাল ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনকে।
এর আগে ২০২৩ সালের অগাস্ট মাসে বিশ্ব কুস্তি সংস্থা নির্বাসিত করে ভারতের দেশের কুস্তি ফেডারেশনকে। দীর্ঘদিন ধরেই ফেডারেশনে কোনও নির্বাচিত কমিটি ছিল না, এর ফলেই বিশ্ব কুস্তিু সংস্থার শাস্তির মুখে পরতে হয়ে ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনকে। দেশের কুস্তির দায়িত্ব ছিল আইওএ গঠিত অ্যাড হক কমিটির হাতে।

এরপর অনেক জটিলতার পর নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন সঞ্জয় সিংরা। তাতেও সমস্যা মেটেনি।
ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের উপর রয়েছে প্রবল রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ। যা কোনও ভাবেই মেনে নিতে নারাজ বিশ্ব কুস্তি সংস্থা। ব্রিজ ভূষণ শরণ সিং ক্ষমতায় না থাকলেও তাঁর অনুগত সঞ্জয় সিংই ক্ষমতায় আছেন।
বিশ্ব কুস্তি সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনওভাবেই ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। অলিম্পিক্সের নিয়ম অনুসারে প্রতিটি ফেডারেশনের স্বায়ত্তশাসন থাকবে এবং অলিম্পিক্স কমিটি গঠিত নিয়ম গুলি কঠোর ভাবে মেনে চলতে হবে। যদি নিয়ম ঠিকভাবে না মানা হয়, তাহলে দীর্ঘদিনের জন্য ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনকে নির্বাসিত করা হতে পারে।
ভারতীয় দলগুলি এর আগে নির্বাসনের কারণে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে প্রায় বাদ পড়েছিল। এর আগে কেন্দ্রীয় সরকারও হস্তক্ষেপ করে কুস্তি ফেডারেশনে। এমনকি বিষয়টি আদালত পর্যন্ত যায়। ভারতীয় কুস্তিতে সংকটের দিকে নজর রয়েছে বিশ্ব কুস্তি সংস্থার। ফলে ফের একবার কঠোর শাস্তি পেতে পারে ভারত।
এর আগে কেদ্র গঠিত অ্যাড-হক প্যানেলও পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছিল আদালত কিন্তু আইওএ আদেশটি মানতে অস্বীকার করে বলেছিল যে এটির প্রয়োজন নেই। এমনকি সরকার ডব্লিউএফআই সভাপতি সঞ্জয় সিংকে ফেডারেশনের অনুমোদিত প্রতিনিধি হিসেবে কয়েকটি সভায় যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।
এর আগে নির্বাসনের জন্য এমনিতেই জাতীয় ক্যাম্প আটকে গিয়েছিল। ক্রীড়ামন্ত্রক যদি দ্রুত সমস্যার সমাধান না করে এবং তার উপর যদি বিশ্ব কুস্তি সংস্থাও নির্বাসিত করে, তাহলে দেশের কুস্তিগীরা আরও সমস্যার মধ্যে পরবেন।
এর আগে ফিফার নির্বাসনের খাঁড়া নেমে এসেছিল এআইএফএফ-র উপরে। সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থাতে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ মেনে নিতে পারেনি ফিফা। সেই কারণে নির্বাসিত করা হয় ভারতকে। পরে যদিও সেই নির্বাসন তুলে নেওয়া হয়। কল্যাণ চৌবে নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসেন।












Click it and Unblock the Notifications