দীপিকা কুমারী-সহ তিরন্দাজদের দিকে নজর রাখবে টোকিও অলিম্পিকের বিশেষ ক্যামেরা

টোকিও অলিম্পিকের সব ইভেন্টই হবে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে। অলিম্পিক দেখতে তাই সকলেরই ভরসা অলিম্পিক। টেলিভিশন সম্প্রচারে প্রযুক্তির ব্যবহারের দিক দিয়েও তাই চমক দেখাতে চলেছে টোকিও অলিম্পিক। তিরন্দাজির ইভেন্টে এমন ক্যামেরা থাকবে যা আগে কোথাও ব্যবহৃত হয়নি।

অত্যাধুনিক ক্যামেরা

পদক জয়ের লক্ষ্যের দিকে ক্রমাগত এগোতে থাকা বিশ্বের এক নম্বর তিরন্দাজ দীপিকা কুমারীর মনের অবস্থা কেমন তা টিভির সামনে বসেই জানতে পারবেন দর্শকরা। এলিমিনেশন রাউন্ডে তিরন্দাজদের মানসিক চাপ থেকে হৃদস্পন্দনের প্রতি মুহূর্তের আপডেট দিতে ওয়ার্ল্ড আর্চারির তরফে বিশেষ ক্যামেরা রাখা থাকবে ইউমেনোশিমা পার্কে, যেখানে হবে তিরন্দাজির ইভেন্টগুলি।

সরাসরি দর্শকদের কাছে

সরাসরি দর্শকদের কাছে

হার্ট বিট মনিটরিংয়ে প্যানাসনিকের নয়া আবিষ্কার লাগাতার তথ্য দিতে থাকবে তিরন্দাজদের হৃদস্পন্দন সম্পর্কে। সবটাই ধরা পড়বে ক্যামেরার মাধ্যমে। ওয়ার্ল্ড আর্চারির এক সদস্য এই খবর জানিয়ে বলেছেন, মানসিক চাপ বা হৃদস্পন্দন সংক্রান্ত কোনও তথ্য অবশ্য জানতে পারবেন না অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী তিরন্দাজরা। সবটাই সরাসরি পৌঁছে যাবে শুধু দর্শকদের কাছে। ক্যামেরার প্রযুক্তি এতটাই উন্নত মানের যে, হৃদস্পন্দনের ফলে শরীরে রক্ত চলাচল প্রতিযোগীর মুখের রং কীভাবে বদলে দিচ্ছে এবং মুখের চামড়াতেও সেই পরিবর্তনের কেমন প্রভাব পড়ছে সবটাই ধরা পড়বে অত্যাধুনিক ক্যামেরাটিতে। এ থেকেই বোঝা যাবে হার্ট রেট বা স্ট্রেস লেভেল।

ব্যক্তিগত ইভেন্টে

ব্যক্তিগত ইভেন্টে

ওয়ার্ল্ড আর্চারির প্রতিনিধি আরও জানিয়েছেন, এই ক্যামেরা থেকে যে স্ট্রেস লেভেল পরিমাপ করা যাবে তাতে কোনও গুরুত্বপূর্ণ শট নেওয়ার ক্ষেত্রে তিরন্দাজের মানসিক চাপ বা হৃদস্পন্দন কতটা বাড়ছে বা আদৌ বাড়ছে কিনা তা বোঝা সম্ভব হবে। তবে সবটাই হবে ব্যক্তিগত ইভেন্টের ম্যাচগুলিতে। ইতিমধ্যেই এই ক্যামেরা ব্যবহারের ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে।

দীপিকাকে ঘিরে প্রত্যাশা

দীপিকাকে ঘিরে প্রত্যাশা

ভারতের দীপিকা কুমারী এখন বিশ্বের এক নম্বর তিরন্দাজ। তবে ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিক ও ২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকে চাপের কাছে নতিস্বীকারে বাধ্য হয়েই পদক জিততে পারেননি। এবার অবশ্য তিনি অনেক বেশি প্রস্তুতি নিয়ে এবং আত্মবিশ্বাস সম্বল করে টোকিওতে গিয়েছেন। লন্ডনে দীপিকা ছিটকে গিয়েছিলেন প্রথম রাউন্ডেই। রিওতে তৃতীয় রাউন্ডে। করোনা পরিস্থিতিতে টার্গেটেও বদল আসছে টোকিও অলিম্পিকে। সাধারণত ৬৪ জন টার্গেট কোয়ালিফিকেশনের সময় একটি টার্গেটই ব্যবহার করেন। তবে এবার ৬৪ জনের জন্য থাকছে ৬৪টি টার্গেট, এতে শারীরিক দূরত্ব বজায় যেমন থাকবে, তেমনই সংক্রমণের আশঙ্কাও থাকবে না। এবারের অলিম্পিকে প্রথম তিরন্দাজিতেই সরাসরি বায়োমেট্রিক ডেটা উপলব্ধ হবে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+