Co-Operative Election: কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে সমবায় ভোটেও বাদ গেল না অশান্তি, উত্তপ্ত কাঁথি, কোলাঘাট, হেঁড়িয়া
Co Operative Election: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় কাঁথি (Contai) সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচন। তবু বাদ গেল না অশান্তি (Violence)। রবিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত ভোটগ্রহণ। তারই মাঝে দফায় দফায় উত্তপ্ত হল পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন এলাকা। কোলাঘাট, রামনগর, হেঁড়িয়ায় উত্তেজনা ছড়াল তৃণমূল ও বিজেপির বচসাকে কেন্দ্র করে।
শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) গড়ে সমবায় নির্বাচনে বেনজির কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা (Central Security)। কড়া নিরাপত্তায় ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা। বুথে বুথে রাখা হয় সিসিটিভিও। তবু সমবায় ভোটেও বাদ গেল না অশান্তি। ২০১৫-তে শেষবার কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কে শেষ ভোট হয়েছিল।

দিনকয়েক আগে ওই নির্বাচন ঘিরে নন্দীগ্রামে ব্যাপক বোমাবাজি হয়েছিল। কোলাঘাটেও সমবায় নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। আর এবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সামান্য সমবায় ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েন করা হলেও এড়ানো গেল না অশান্তি।
রবিবার ভোট গ্রহণ পর্ব চলাকালীন কোলাঘাটে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। কোলাঘাটের বুথে ভোট দান করে ফেরার সময় বিজেপির নেতাদের স্লিপ কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, বিজেপির নেতা কর্মীদের মাটিতে ফেলে মারধর করার অভিযোগ তোলা হয় শাসকদলের বিরুদ্ধে। যদিও গোটা ঘটনা অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
এরপর উত্তেজনা ছড়ায় হেঁড়িয়াতেও। স্লিপ বিলিকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে অশান্তি ছড়ায় বলে অভিযোগ। রামনগরেও পথ অবরোধ করে বিজেপি। সুপ্রিম নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে রবিবার হাইভোল্টেজ সমবায় ভোট শুভেন্দু অধিকারীর গড়ে। হেঁড়িয়ার ঘটনায় অবেশেষে বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে উত্তেজনা থামায়।
কাঁথিতে সকাল থেকেই নানা প্রান্তে টহল দেয় আধা সেনা। প্রায় সব ভোটকেন্দ্রের বাইরেই তৃণমূল বিজেপি জমায়েত লক্ষ্য করা যায়। ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগও তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কাঁথিতে সিপিএম সমর্থকদের ক্যাম্প অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ভোটার স্লিপ বিলিকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা কাঁথিতে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ সিপিএমের।












Click it and Unblock the Notifications