বিডিওর অন্যত্র বদলি, চোখের জলে ভাসালেন তৃণমূল বিধায়ক!
বদলির চাকরি বিডিওদের। রুটিন বদলি হচ্ছেন বিডিও। বিদায় অনুষ্ঠান চলছে। সেই সময় কেঁদে ফেললেন বিধায়ক। চোখের জল যেন আর আটকে রাখতে পারলেন না তিনি। কেন কেঁদে ফেললেন পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারের বিধায়ক? কী এমন কারণ বিধায়কের কেঁদে ফেলার?
চোখের জলে বিডিওকে বিদায়। অন্যত্র বদলি হয়ে চলে যাবেন বিডিও। বিডিওর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কেঁদে ফেললেন বিধায়ক। এ এক বিরল ঘটনা। ছেড়ে চলে যাবেন বিডিও। বিডিওর সংবর্ধনায় কেঁদে ফেললেন নন্দকুমারের বিধায়ক সুকুমার দে। মনখারাপ বিডিও শানু বক্সিরও।

বুধবার নন্দকুমারের বিডিও শানু বক্সির বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন নন্দকুমারের বিধায়ক সুকুমার দে। বিডিও চলে যাবেন এই দুঃখে কেঁদে ফেললেন বিধায়ক। কিছুতেই তিনি কান্না চেপে রাখতে পারেননি। অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে মন খারাপ করে আছেন বিডিও শানু বক্সিও।
বিদায়ী বিডিওর কথায়, অফিসটাকে কখনও অফিস মনে করিনি। বাড়ি মনে করেছিলাম। মানুষগুলোকে পরিবারের মানুষ ভাবতাম। স্বাভাবিক পরিবারের সঙ্গে যেভাবে মিলেমিশে থাকি সকলে সেভাবে থাকার চেষ্টা করেছিলাম। সকলকেই সেভাবেই সম্বোধন দিতাম।
তিনি আরও বলেন, নন্দকুমার ব্লককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া শুধু একার পক্ষে সম্ভব হত না, এত সুন্দর টিম না থাকলে। সেই টিমকে আজকে ছেড়ে যেতে হচ্ছে। আমার কষ্ট হচ্ছে টিমের সব মেম্বারকে আমি ছেড়ে যাচ্ছি। নন্দকুমার ব্লক যেমন শীর্ষে ছিল, সেই নন্দকুমার ব্লক যেন আরও এগিয়ে যায়। প্রথম ব্লক আমার এটা। প্রথম জিনিস সবসময় স্মরণীয় হয়ে থাকে। নন্দকুমার আমার কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
কান্নায় ভেঙে পড়েন বিধায়ক। তিনি বলেন, ওনার আন্তরিকতা ভালোবাসা আমাদের কাছে স্মরণীয়। তাই বিদায় বেলায় আমি কেঁদে ফেললাম। যদিও এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই মজা, কটাক্ষ করা শুরু করেছে একাধিক রাজনৈতিক দল।
সিপিএম নেতা পরিতোষ পট্টনায়ক ঠেস দিয়ে মজার ছলে বলেন, নন্দকুমার ব্লকের সমস্ত কাজ( দুর্নীতি) দুজনে মিলেমিশে করতেন। সেই জায়গাটা আর বিধায়কের কাছে থাকছে না। তাই তিনি কেঁদে ফেলেছেন।












Click it and Unblock the Notifications