পাঁশকুড়ায় সমবায়ে পর্যুদস্ত বিজেপি, তৃতীয় সিপিআইএম! ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দল, পঞ্চায়েতের আগে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল
বিধানসভা নির্বাচনে পিছিয়ে পড়লেও, সমবায় নির্বাচনে জয়ে পাঁশকুড়া নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল কংগ্রেস। সাধারণ মানুষ কুৎসার জবাব দিয়েছে বলেই মনে করছে শাসক দল।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে সমবায় নির্বাচনে ফের জয় শাসক তৃণমূলের। পাঁশকুড়া গোবিন্দনগর সমবায় নির্বাচনে সবকটি আসনই পেয়েছে তারা।
ফল প্রকাশের পর সবুজ আবির মাখেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি কুৎসার জবাব দিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

সব আসনে জয় তৃণমূলের
পাঁশকুড়ার গোবিন্দনগর সমবায় কৃষি উন্নয়ন কমিতির নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল তৃণমূল। রাজ্যের শাসক দল সেখানকার ১২ আসনের সবকটিতেই জয়লাভ করেছে। তৃণমূল ছাড়াও সিপিআইএম সবকটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। বিজেপি প্রার্থী দিয়েছিল ১১ টি আসনে। ভোটের ফল বেরোতেই দেখা গিয়েছে সবকটি আসনে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দ্বিতীয় স্থান পায় বিজেপি এবং সিপিআইএম চলে যায় তৃতীয় স্থানে।

পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিপুল জয়ে আশাবাদী তৃণমূল
সমবায় ভোটে জয়ের পরে পঞ্চায়েত ভোটে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল কংগ্রেস। তারা বলছে, এই জয়ের মাধ্যমে সব কুৎসার জবাব দিতে পেরেছে তারা। সামনের পঞ্চায়েত নির্বাচনেও এলাকায় তারা জয়ী হবে বলে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল কংগ্রেস।
প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখযোগ্য ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে গোবিন্দনগর অঞ্চলের মাত্র দুটি বুথে এগিয়ে ছিল শাসকদল। বাকিগুলিতে তারা বিজেপির কাছে পিছিয়ে পড়ে। পাঁশকুড়া ব্লক তৃণমূল সভাপতি সুজিত রায় সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ব্যাপক মার্জিনে তাদের জয় এসেছে। বিরোধীদের জমানত জব্দ হয়ে গিয়েছে। এই সমবায় সমিতি সাধারণকে ঋণ দেওয়ার মাধ্যমে এলাকার উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করেন তিনি।

বিজেপির প্রতিক্রিয়া
স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের তরফে জানানো হয়েছে, তারা কোনও কুৎসার সঙ্গে জড়িত নয়। যা হচ্ছে তা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তবে সমবায় নির্বাচনে তৃণমূলের জয় প্রসঙ্গে বিজেপি বলছে, আগের দুটো ভোটে বিজেপি প্রার্থীদের দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। সেই কারণে এবার ১১ আসনে প্রার্থী দিয়ে দ্বিতীয় স্থান পাওয়াটা তাদের কাছে একরকমের নৈতিক জয়।

সিপিআইএম-এর প্রতিক্রিয়া
স্থানীয় সিপিআইএম নেতৃত্ব তথা প্রাক্তন বিধায়ক শেখ ইব্রাহিম আলির অভিযোগ, এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ রয়েছে। গত সমবায় নির্বাচনও তারা করতে দেয়নি। তবে এবার পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। তারা প্রার্থী দিতে পেরেছেন। তাঁর আরও অভিযোগ এই সমবায়ে লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তৃণমূলের নেতা সুধাংশু আদক এবং তাঁর স্ত্রীর নামে ৫০ লক্ষ টাকা নেওয়া হলেও, তা পরিশোধ করা হয়নি। এছাড়াও তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সুজিত রায় ১৫ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে পরিশোধ করেননি। তিনি বলেছেন, মানুষের ক্ষোভ থাকলেও তারা সন্ত্রাসের কাছে পরাস্ত হয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications