পঞ্চায়েতের আগে নন্দীগ্রাম ফের হয়ে উঠছে এপি সেন্টার, যুদ্ধ শুরু তৃণমূল বনাম বিজেপির
পঞ্চায়েতের আগে নন্দীগ্রাম ফের হয়ে উঠছে এপি সেন্টার, যুদ্ধ শুরু তৃণমূল বনাম বিজেপির
বিধানসভায় কাঁটে কা টক্করে জয় পেয়েছে বিজেপি। পরাজয় হয়েছে শাসকের। এবার আসছে পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েতের মহারণে জিতবে কে? নন্দীগ্রামে শুরু তৃণমূল বনাম বিজেপির যুদ্ধ। এখনও ভোট ঘোষণা হয়নি, কিন্তু এখন থেকেই শুরু হয়েছে গিয়েছে রাজনৈতিক দখলদারি। তৃণমূল এবার মরিয়া বিজেপিকে পাল্টা দিতে।

নন্দীগ্রামে তৃণমূল বনাম বিজেপি
নন্দীগ্রামে একেবারে শেষ ল্যাপে জয়-পরাজয় স্থির হয়েছিল ২০২১-এর বিধানসভায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শুভেন্দুর এই জয় নিয়ে তৃণমূল অভিয়োগ করে কারচুপি করে জিতেছে বিজেপি। শুভেন্দু কটাক্ষ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কম্পার্টমেন্টাল চিফ মিনিস্টার। আর তৃণমূল তার পাল্টা দেয় লোডশেডিংয়ে জেতা এমএলএ। এই চাপানউতোর এখনও চলছে।

নন্দীগ্রাম ২০২৩-এর পঞ্চায়েত ভোটে কার দিকে
এবার পঞ্চায়েত নির্বাচন। সম্ভবত বছর ঘুরলেই দামাম বেজে যাবে। এখন থেকেই শাসক ও বিরোধী শিবির কাউন্ডটাউন শুরু করে দিয়েছে। গত বিধানসভা ভোটে সারা দেশের চর্চায় থাকা নন্দীগ্রাম ২০২৩-এর পঞ্চায়েত ভোটে কার দিকে ঢলবে, তা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা হওয়ার আগেই ক্ষমতার শীর্ষে থাকা দুই রাজনৈতিক দল দেওয়াল দখলে তৎপর হয়ে উঠেছে।

তৃণমূল ও বিজেপি ইতিমধ্যেই ছক কষছে
নন্দীগ্রাম যে এই মুহূর্তে রাজ্যের প্রধান এপি সেন্টার, তা আরও একবার প্রমাণিত। কারণ ক্ষমতার শীর্ষে থাকা দুই রাজনৈতিক দলের নন্দীগ্রামকে কেন্দ্র করে ভোট-ভাবনা। তৃণমূল ও বিজেপি ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে নন্দীগ্রাম দখলের ছক কষতে। নন্দীগ্রামকে রাজনৈতিক প্রতীকে মুড়ে ফেলতেই দুই দল এখন থেকে তৎপর।

প্রাক যুদ্ধে অগ্রগণ্য অবশ্যই তৃণমূল ও বিজেপি
ভোট ঘোষণা হয়নি, প্রার্থী তালিকা প্রকাশের প্রশ্নই নেই এখনই, তবু একাধিক দেওয়ালে মার্কিং করে দলীয় সিম্বল এঁকে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলি। আর এই প্রাক যুদ্ধে অগ্রগণ্য অবশ্যই তৃণমূল ও বিজেপি। তারা আগেভাগে দেওয়াল দখল করে নিজেদের ক্ষমতা জাহির করতে ব্যস্ত। অর্থাৎ এখন থেকেই ২০২৩-এর পঞ্চায়েত ভোটে দামামা বেজে গিয়েছে নন্দীগ্রামে।

পঞ্চায়েত স্তরে ও বুথ স্তরে পাড়াভিত্তিক বৈঠক শুরু
শুধু দেওয়ালের দখলদারিই নয়, পঞ্চায়েত স্তরে ও বুথ স্তরে পাড়াভিত্তিক বৈঠক শুরু করেছে দুই রাজনৈতিক দলই। তৃণমূল ইতিমধ্যেই পূর্ব মেদিনীপুরে নতুন দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছে দলের মুখপাত্র তথা রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষকে। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরে পা দেওয়ার পরই বিজেপির বিদ্রোহী নেতারা তাঁর সঙ্গে দেখা করে এক চা চক্রে শামিল হন। তারপর থেকে আরও রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়ে যায়।

শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তোপ দেগেই দল ছাড়ার হিড়িক
নন্দীগ্রামে সম্প্রতি বিজেপিতে ভাঙন-জল্পনা শুরু হয়েছে। নন্দীগ্রাম বিজেপির শীর্ষ দুই নেতা তাঁদের অনুগামীদের নিয়ে পদত্যাগ করেছেন। তাঁরাই কুণাল ঘোষের সঙ্গে চা চক্রে অংশ নেন। তাঁরা হুঙ্কারও ছাড়েন এই মুহূর্তে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে দাঁডিয়ে দেখুন, গোহারা হারবেন। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তোপ দেগেই তাঁরা দল ছাড়েন।

বিজেপির নন্দীগ্রামে তৃণমূলও পিছিয়ে নেই
এরপর বিজেপি ও তৃণমূল সম্প্রতি দেওয়ালের দখলদারি চালাতে শুরু করেছে। বর্তমানে বিজেপির নন্দীগ্রামে তৃণমূলও দেওয়াল লিখনে পিছিয়ে নেই। তারাও নন্দীগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় ইতিমধ্যে দেওয়াল লিখন শুরু করেছেন। কোনও প্রার্থীর নাম না লেখা থাকলেও সেখানে তৃণমূল সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ফুটিয়ে তুলেছে।












Click it and Unblock the Notifications