তৃণমূলের হেল্পলাইন নম্বরে বেআইনি সম্পত্তির অভিযোগ, শুভেন্দুর গড়ে পঞ্চায়েত প্রধান পদত্যাগের নির্দেশ
তৃণমূলের হেল্পলাইন নম্বরে বেআইনি সম্পত্তির অভিযোগ, শুভেন্দুর গড়ে পঞ্চায়েত প্রধান পদত্যাগের নির্দেশ
আবরাও শুভেন্দুর গড়ে পঞ্চায়েত প্রধানকে পদত্যাগের নির্দেশ। মরিশদার পরে এবার শান্তিপুর-১ গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধানকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনি সম্পত্তি রাখার অভিযোগ রয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের তৈরি করা হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানানো হয়েছিল অভিযুক্ত পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। তারপরেই পঞ্চায়েত প্রধানকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ
পঞ্চায়েত ভোটের আগে স্বচ্ছতার ভাবমূর্তির উপরে জোর দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেকারণেই দুর্নীতির অভিযোগ জানাতে হেল্পলাইন চালু করেছে শাসক দল। এক ডাকে অভিষেক নামে এই হেল্পলাইন নম্বরে েয কেউ পঞ্চায়েত স্তরের যেকোনও নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ জানাতে পারেন। সেই হেল্পলাইন নম্বরেই পূর্বমেদিনীপুরের শান্তিপুর-১ নং পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়তে শুরু করেছিল। এক নয় একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে পঞ্চায়েত প্রধান সেলিম আলির বিরুদ্ধে। ৬০ লক্ষ টাকার বেআইনি সম্পত্তি রাখার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

পদত্যাগের নির্দেশ
শান্তিপুর-১ পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়ার পরেই তদন্ত শুরু করে দল। সেই তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে একাদিক অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তারপরেই তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আলিকে পদত্যাগ করতে বলা হয় দলের তরফে। মঙ্গলবার পদত্যাগ করেন সেলিম আলি৷ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, অভিষেক বন্দোপাধ্যায় বারবার রাজনৈতিক সভায় গিয়ে জানিয়ে আসছেন দলের মধ্যে এক ইঞ্চি জমিও দুর্নীতির জন্যও বরাদ্দ করা হবে না। দলের কড়া অবস্থান তৃণমূল কংগ্রেস করলে ঠিকাদারি করা চলবে না। কিন্তু দলের সেই নির্দেশকে অমান্য করেই গোপনে সংস্থার সঙ্গে যুক্ত এই প্রধান, তাই সেলিম আলিকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি পদত্যাগ করেছেন। তবে দলের কাজ কর্মের সাথে আগের মত নিযুক্ত থাকবেন।

স্বচ্ছতার ভাবমূর্তিতে জোর
এর আগেই পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে শুভেন্দুর গড়ে সভা করতে গিয়ে মরিশদার পঞ্চায়েত প্রধানকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরে রাণাঘাটে সভা করতে গিয়েও একই ভাবে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিলেন আরও এক পঞ্চায়েত প্রধানকে। তিনি রীতিমত দলের নেতাদের হুঁশিয়ার করে বলেছেন। কেউ দুর্নীতি করলে তাঁকে পদত্যাগ করতেই হবে। তিনি দল থেকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তারপরেই আবার শুভেন্দু অধিকারীর গড়ে আবারও পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

অভিষেকের হুঁশিয়ারি
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক জায়গায় সভা করে বার্তা দিয়েছেন যে কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। যে বা যাঁরা দুর্নীতি করবেন তাঁদের টিকিট দেবে না দল। কোনও প্রভাব খাটিয়েই পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট দেওয়া যাবে না। যার স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে। যিনি সত্যিকারে মানুষের জন্য কাজ করছেন তাঁদেরই টিকিট দেওয়া হবে। এমনই নির্দেশ দিয়েছেন তদন্তকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications