Eviction and Rehabilitation: মুখ্যমন্ত্রীর নীতি 'অমান্য'! সরকারি নোটিশে অসহায় শুভেন্দুর জেলার হাজার বাসিন্দা
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বলেছিলেন, পুনর্বাসন দিয়েই উচ্ছেন। না হলে তিনি বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবেন। পাঁশকুড়ায় তাঁরই সরকারের সেচ দপ্তরের দেওয়া উচ্ছেদের নোটিশ ঘিরে অসহায় প্রায় হাজা
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বলেছিলেন, পুনর্বাসন দিয়েই উচ্ছেন। না হলে তিনি বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবেন। পাঁশকুড়ায় তাঁরই সরকারের সেচ দপ্তরের দেওয়া উচ্ছেদের নোটিশ ঘিরে অসহায় প্রায় হাজার পরিবার। সেচ দপ্তরের এই নোটিশ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে পাঁশকুড়া পুরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে।

মেদিনীপুর খালের দুই ধারে বসবাস
পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া শহরের ভেতর দিয়ে বয়ে গিয়েছে মেদিনীপুর খাল। যেটি কোলাঘাট ব্লকের বেড়বহলা থেকে পাঁশকুড়ার ওপর দিয়ে দীর্ঘ প্রায় ১০ কিলোমিটার বাহিত হয়েছে। এই খালের দুই পাড়েই রয়েছে অসংখ্য বাড়ি, দোকান। এছাড়াও রয়েছে ছোটখাটো কারখানাও। তবে পাঁশকুড়া এলাকায় এই খালটি দীর্ঘদিন ধরে মজে পড়ে রয়েছে।

সরকারি জায়গায় বসবাসে উচ্ছেদের নোটিশ
সম্প্রতি পাঁশকুড়া পুরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় সেচ ও জলপথ বিভাগের পক্ষ থেকে ব্যানার লাগিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, খালের পাশে যাঁরা জবরদখল করে রেখেছে, তা অবিলম্বে খালি করে দিতে হবে। না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বিষয়টি নজরে আসতেই পাঁশকুড়া পুরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের নারান্দা এলাকার মানুষ বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। তাঁরা বলছেন, এই খালে জল থাকে না। চাষের কাজেও ব্যবহার করা হয় না। খালের পাড়ে প্রায় ৫০ বছর ধরে জনবসতি রয়েছে।

পুনর্বাসনের দাবি
সরকার যদি তাঁদের উচ্ছেদ করে, তাহলে তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। দাবি করেছেন খালের দুই পাশে থাকা মানুষজন। তাঁরা বলছেন, সেখানে প্রায় দুশোটি পরিবার বসবাস করে। পুনর্বাসন না দিয়েই যায় উৎখাত করা হলে মৃত্যুবরণ করা ছাড়া আর কোন দ্বিতীয় রাস্তা তাঁদের কাছে থাকবে না।। পুনর্বাসন না দিয়ে কাউকে কোনও জায়গা থেকে উচ্ছেদ করা যাবে না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরেও তার সরকারের সেচ দপ্তর কেন নোটিস দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন, প্রশ্ন করছেন তাঁরা। বিষয়টি নিয়ে পাঁশকুড়া সেচ দপ্তর কোন মন্তব্য করতে চায়নি। তবে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি অবস্থানের বিরুদ্ধে সেচ দফতরের বিজ্ঞপ্তির নিন্দা করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতারা।

ভরসা মুখ্যমন্ত্রীর ওপরে
পুনর্বাসন না দিয়ে ওই জায়গা থেকে সরিয়ে দিলে মৃত্যুবরণ করা ছাড়া তাঁদের কাছে কোনও রাস্তা থাকবে না, বলছে পরিবারগুলি। তাঁদের ভরসা মুখ্যমন্ত্রীর ওপর। শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীই তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে উচ্ছেদ করবেন বলেন মনে করছেন তাঁরা। আর তাঁরা যদি পুনর্বাসনের দাবিতে আন্দোলন করেন, তাহলে তাঁদের পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থাকবেন বলে মনে করছেন তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications